স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ-এর ডাগআউটে আবারও দেখা যেতে পারে হোসে মরিনহোকে। ইউরোপীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তিন বছরের চুক্তিতে রিয়ালের প্রধান কোচ হওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন পর্তুগিজ এই কোচ। তবে ক্লাবের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য ক্লাব প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে মরিনহোকে প্রকাশ্যে উপস্থাপন করা হবে না। বর্তমান সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পুনর্নির্বাচিত হলে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত দুই মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে না পারায় কঠিন সময় পার করছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগার শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পাশাপাশি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগেও শেষ আট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে। প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা-র কাছে এল ক্লাসিকোতে পরাজয় ও বায়ার্ন মিউনিখ-এর বিপক্ষে হেরে ইউরোপীয় মঞ্চ থেকে বিদায় ক্লাবটির ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ড্রেসিংরুমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অভিজ্ঞ ও কঠোর মানসিকতার কোচ হিসেবে মরিনহোকেই বেছে নিতে চায় রিয়াল—এমন দাবি ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর। এর আগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রিয়ালের দায়িত্বে থেকে তিনি লা লিগা, কোপা দেল রে এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছিলেন।
রিয়াল ছাড়ার পর ইংল্যান্ডে চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও টটেনহাম হটস্পার-এর কোচের দায়িত্ব পালন করেন মরিনহো। পরে ইতালির এ এস রোমাকে উয়েফা ইউরোপা কনফারেন্স লিগ জেতান। সর্বশেষ তিনি ফেনারবাচ ও এসএল বেনফিকা-এর দায়িত্বে ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে রিয়ালের ড্রেসিংরুমে খেলোয়াড়দের বিভক্তি, তারকাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার খবরও আলোচনায় রয়েছে। অনেকের মতে, এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে মরিনহোর মতো কঠোর শাসনধারার কোচ কার্যকর হতে পারেন।
তবে প্রশ্নও রয়েছে। আধুনিক তারকানির্ভর ফুটবলে মরিনহোর ঐতিহ্যগত কৌশল কতটা সফল হবে এবং বর্তমান রিয়াল দলে তিনি কতটা ভারসাম্য আনতে পারবেন, সেটিই এখন বড় আলোচনার বিষয়।
সব মিলিয়ে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মরিনহোর হাত ধরে রিয়াল মাদ্রিদের নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে বলে জোরালো গুঞ্জন ছড়িয়েছে ইউরোপীয় ফুটবল অঙ্গনে।
বিষয় : হোসে মরিনহো রিয়াল মাদ্রিদ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ-এর ডাগআউটে আবারও দেখা যেতে পারে হোসে মরিনহোকে। ইউরোপীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তিন বছরের চুক্তিতে রিয়ালের প্রধান কোচ হওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন পর্তুগিজ এই কোচ। তবে ক্লাবের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য ক্লাব প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে মরিনহোকে প্রকাশ্যে উপস্থাপন করা হবে না। বর্তমান সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পুনর্নির্বাচিত হলে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত দুই মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে না পারায় কঠিন সময় পার করছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগার শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পাশাপাশি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগেও শেষ আট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে। প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা-র কাছে এল ক্লাসিকোতে পরাজয় ও বায়ার্ন মিউনিখ-এর বিপক্ষে হেরে ইউরোপীয় মঞ্চ থেকে বিদায় ক্লাবটির ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ড্রেসিংরুমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অভিজ্ঞ ও কঠোর মানসিকতার কোচ হিসেবে মরিনহোকেই বেছে নিতে চায় রিয়াল—এমন দাবি ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর। এর আগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রিয়ালের দায়িত্বে থেকে তিনি লা লিগা, কোপা দেল রে এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছিলেন।
রিয়াল ছাড়ার পর ইংল্যান্ডে চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও টটেনহাম হটস্পার-এর কোচের দায়িত্ব পালন করেন মরিনহো। পরে ইতালির এ এস রোমাকে উয়েফা ইউরোপা কনফারেন্স লিগ জেতান। সর্বশেষ তিনি ফেনারবাচ ও এসএল বেনফিকা-এর দায়িত্বে ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে রিয়ালের ড্রেসিংরুমে খেলোয়াড়দের বিভক্তি, তারকাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার খবরও আলোচনায় রয়েছে। অনেকের মতে, এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে মরিনহোর মতো কঠোর শাসনধারার কোচ কার্যকর হতে পারেন।
তবে প্রশ্নও রয়েছে। আধুনিক তারকানির্ভর ফুটবলে মরিনহোর ঐতিহ্যগত কৌশল কতটা সফল হবে এবং বর্তমান রিয়াল দলে তিনি কতটা ভারসাম্য আনতে পারবেন, সেটিই এখন বড় আলোচনার বিষয়।
সব মিলিয়ে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মরিনহোর হাত ধরে রিয়াল মাদ্রিদের নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে বলে জোরালো গুঞ্জন ছড়িয়েছে ইউরোপীয় ফুটবল অঙ্গনে।

আপনার মতামত লিখুন