ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

তাড়াশে বিয়ের প্রলোভনে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ দুলাভাই পলাতক



তাড়াশে বিয়ের প্রলোভনে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ দুলাভাই পলাতক
ছবি:-ভুক্তভোগী শারমিন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার গুরমা গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শ্যালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পর বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগ উঠেছে এক দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত দুলাভাই পলাতক রয়েছেন।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুরমা গ্রামের মো. আকবর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫) তার শ্যালিকা একই গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে শারমিন খাতুন (২৬)-এর সঙ্গে গত ৫ মাস আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। ভুক্তভোগী শারমিনের অভিযোগ, সম্পর্কের একপর্যায়ে শহিদুল তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেন।

​সম্প্রতি শারমিন খাতুন বিয়ের জন্য চাপ দিলে শহিদুল ইসলাম তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানান।

​ভুক্তভোগী শারমিন খাতুন বলেন, শহিদুল ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমাকে ভোগ করেছে। এখন সে আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। আমি আমার সামাজিক মর্যাদা ও অধিকার ফিরে পেতে তাকেই বিয়ে করতে চাই।

​এদিকে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ থাকায় এবং তিনি পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য বা মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


তাড়াশে বিয়ের প্রলোভনে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ দুলাভাই পলাতক

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার গুরমা গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শ্যালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পর বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগ উঠেছে এক দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত দুলাভাই পলাতক রয়েছেন।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুরমা গ্রামের মো. আকবর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫) তার শ্যালিকা একই গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে শারমিন খাতুন (২৬)-এর সঙ্গে গত ৫ মাস আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। ভুক্তভোগী শারমিনের অভিযোগ, সম্পর্কের একপর্যায়ে শহিদুল তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেন।

​সম্প্রতি শারমিন খাতুন বিয়ের জন্য চাপ দিলে শহিদুল ইসলাম তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানান।

​ভুক্তভোগী শারমিন খাতুন বলেন, শহিদুল ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমাকে ভোগ করেছে। এখন সে আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। আমি আমার সামাজিক মর্যাদা ও অধিকার ফিরে পেতে তাকেই বিয়ে করতে চাই।

​এদিকে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ থাকায় এবং তিনি পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য বা মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ