লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মজিবউদ্দিন ওরফে সেলিম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার মোমিনপুর দাখিল মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বুধবার রাতে হাতীবান্ধা উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মজিবউদ্দিন ওরফে সেলিম পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামনগর এলাকার মৃত আজিজুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন শিশুটি নিজ বাড়ির উঠানে খেলছিল। এ সময় প্রতিবেশী সেলিম মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে উঠানে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনা খুলে বলে। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবব্রত কুমার রায় জানান, যৌন নির্যাতনের শিকার ছয় বছর বয়সী শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। জরুরি বিভাগে প্রাথমিক পরীক্ষার সময় তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেলিম পালিয়ে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাতীবান্ধা উপজেলায় বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পাটগ্রাম থানা পুলিশ।
পাটগ্রাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হাতীবান্ধা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাটগ্রাম থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মজিবউদ্দিন ওরফে সেলিম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার মোমিনপুর দাখিল মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বুধবার রাতে হাতীবান্ধা উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মজিবউদ্দিন ওরফে সেলিম পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামনগর এলাকার মৃত আজিজুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন শিশুটি নিজ বাড়ির উঠানে খেলছিল। এ সময় প্রতিবেশী সেলিম মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে উঠানে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনা খুলে বলে। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবব্রত কুমার রায় জানান, যৌন নির্যাতনের শিকার ছয় বছর বয়সী শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। জরুরি বিভাগে প্রাথমিক পরীক্ষার সময় তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেলিম পালিয়ে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাতীবান্ধা উপজেলায় বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পাটগ্রাম থানা পুলিশ।
পাটগ্রাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হাতীবান্ধা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাটগ্রাম থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন