পুলিশ জানায়, গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নওগাঁ সরকারি কলেজের মাস্টার্সের এক ছাত্রী মেস থেকে টিউশনের উদ্দেশ্যে বের হন। তিনি এটিম মাঠের গলি দিয়ে জনৈক ইমরুল কায়েসের বাসার সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাত এক মোটরসাইকেল আরোহী তাকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার কয়েকদিন পর ভুক্তভোগী ছাত্রী নওগাঁর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি অবহিত করেন। পুলিশ সুপার তার অভিযোগ শুনে দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ দেন।
পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী ডিবির একটি দল টানা পাঁচ দিন তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই ক্যামেরার ডাটা বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করে। পরে নওগাঁ ও বগুড়ার আদমদীঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে শান্তাহার জনকলোনী এলাকা থেকে কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে ফুয়াদকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ফুয়াদ শান্তাহার জনকলোনী এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। অভিযানকালে ঘটনার সঙ্গে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার বলেন, “সড়কে বা যেকোনো স্থানে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের সহিংসতা অথবা যৌন হয়রানি জেলা পুলিশ কঠোরভাবে আইন অনুযায়ী দমন করবে।”
তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
পুলিশ জানায়, গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নওগাঁ সরকারি কলেজের মাস্টার্সের এক ছাত্রী মেস থেকে টিউশনের উদ্দেশ্যে বের হন। তিনি এটিম মাঠের গলি দিয়ে জনৈক ইমরুল কায়েসের বাসার সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাত এক মোটরসাইকেল আরোহী তাকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার কয়েকদিন পর ভুক্তভোগী ছাত্রী নওগাঁর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি অবহিত করেন। পুলিশ সুপার তার অভিযোগ শুনে দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ দেন।
পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী ডিবির একটি দল টানা পাঁচ দিন তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই ক্যামেরার ডাটা বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করে। পরে নওগাঁ ও বগুড়ার আদমদীঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে শান্তাহার জনকলোনী এলাকা থেকে কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে ফুয়াদকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ফুয়াদ শান্তাহার জনকলোনী এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। অভিযানকালে ঘটনার সঙ্গে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার বলেন, “সড়কে বা যেকোনো স্থানে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের সহিংসতা অথবা যৌন হয়রানি জেলা পুলিশ কঠোরভাবে আইন অনুযায়ী দমন করবে।”
তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন