ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ঈদকে ঘিরে রায়গঞ্জ-সলঙ্গায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, নেতৃত্বে সাইফুল ইসলাম খান



ঈদকে ঘিরে রায়গঞ্জ-সলঙ্গায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, নেতৃত্বে সাইফুল ইসলাম খান
ছবি: প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছে পুলিশ। পশুর হাট, মহাসড়ক, বিপণনী বিতান ও ব্যাংক চত্বরজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। পুরো কার্যক্রম তদারকি করছেন রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান।

ঈদকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে তিনি নিজেই নিয়মিত মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষ করে পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার সিরাজগঞ্জ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার)-এর নির্দেশনায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পশুর হাটে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম। পকেটমার, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা ঠেকাতে সাদা পোশাকে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ সদস্য। একইসঙ্গে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণা রোধেও নেওয়া হয়েছে সতর্কতা।

হাটে হাসিল আদায়কে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান নিজে বিভিন্ন হাট পরিদর্শন করে ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এদিকে ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন রাখতে রায়গঞ্জ সার্কেলের আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতেও জোরদার করা হয়েছে পুলিশি টহল। ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ এবং মহাসড়কে ডাকাতি-ছিনতাই প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থাও চালু রাখা হয়েছে। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মহাসড়কে যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঈদের কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকা ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট এবং বিপণনী বিতানগুলোতেও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নারী ক্রেতাদের নিরাপত্তা ও ছিনতাই প্রতিরোধে মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও এটিএম বুথ এলাকায়ও জোরদার করা হয়েছে নজরদারি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দিন হোক কিংবা রাত, প্রয়োজনের সময় মাঠপর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খানকে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যাচ্ছে। নিজের ঈদের আনন্দের চেয়ে মানুষের নিরাপত্তাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন অনেকেই।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পবিত্র ঈদুল আযহায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি বজায় রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য। পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনায় রায়গঞ্জ সার্কেল পুলিশ সর্বদা মাঠে তৎপর রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, ঈদের ছুটি শেষ হওয়া এবং মানুষ কর্মস্থলে নিরাপদে ফিরে যাওয়া পর্যন্ত পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।



এস.আর 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ঈদকে ঘিরে রায়গঞ্জ-সলঙ্গায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, নেতৃত্বে সাইফুল ইসলাম খান

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছে পুলিশ। পশুর হাট, মহাসড়ক, বিপণনী বিতান ও ব্যাংক চত্বরজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। পুরো কার্যক্রম তদারকি করছেন রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান।

ঈদকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে তিনি নিজেই নিয়মিত মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষ করে পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার সিরাজগঞ্জ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার)-এর নির্দেশনায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পশুর হাটে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম। পকেটমার, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা ঠেকাতে সাদা পোশাকে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ সদস্য। একইসঙ্গে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণা রোধেও নেওয়া হয়েছে সতর্কতা।

হাটে হাসিল আদায়কে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান নিজে বিভিন্ন হাট পরিদর্শন করে ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এদিকে ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন রাখতে রায়গঞ্জ সার্কেলের আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতেও জোরদার করা হয়েছে পুলিশি টহল। ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ এবং মহাসড়কে ডাকাতি-ছিনতাই প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থাও চালু রাখা হয়েছে। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মহাসড়কে যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঈদের কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকা ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট এবং বিপণনী বিতানগুলোতেও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নারী ক্রেতাদের নিরাপত্তা ও ছিনতাই প্রতিরোধে মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও এটিএম বুথ এলাকায়ও জোরদার করা হয়েছে নজরদারি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দিন হোক কিংবা রাত, প্রয়োজনের সময় মাঠপর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খানকে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যাচ্ছে। নিজের ঈদের আনন্দের চেয়ে মানুষের নিরাপত্তাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন অনেকেই।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পবিত্র ঈদুল আযহায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি বজায় রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য। পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনায় রায়গঞ্জ সার্কেল পুলিশ সর্বদা মাঠে তৎপর রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, ঈদের ছুটি শেষ হওয়া এবং মানুষ কর্মস্থলে নিরাপদে ফিরে যাওয়া পর্যন্ত পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।



এস.আর 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ