চিকিৎসক দেখাতে রিকশায় করে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন নিপা আক্তার। হঠাৎ তাঁর কানের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেন এক ছিনতাইকারী। ভুক্তভোগীর চিৎকারে ধাওয়া করে ট্রাফিক পুলিশ যুবককে ধরে ফেললেও মেলেনি ছিনতাই হওয়া দুল। পরে জানা যায়, ধরা পড়ার ভয়ে আস্ত স্বর্ণের দুলটি গিলে ফেলেছেন তিনি! শেষ পর্যন্ত বমি করিয়ে সেই দুল উদ্ধার করে পুলিশ।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়ে এই অবিশ্বাস্য ও চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। আটক ছিনতাইকারীর নাম মো. সেলিম (২৮)। তিনি রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় যাত্রাবাড়ী মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছিলেন। নিপা আক্তারের চিৎকার শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ধাওয়া করে অভিযুক্ত সেলিমকে আটক করেন কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট ইমরান মৃধা।
আটকের পর সেলিমের দেহ তল্লাশি করে স্বর্ণের দুলটি পাওয়া যায়নি। পরে কড়া জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি স্বীকার করেন যে ধরা পড়ার পরপরই দুলটি পেটে চালান করে দিয়েছেন। পুলিশ বিলম্ব না করে বিশেষ উপায়ে তাঁকে বমি করালে তাঁর পেট থেকে নিখোঁজ দুলটি বের হয়ে আসে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের এসি ট্রাফিক (যাত্রাবাড়ী) জানান, ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের দুলটি সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক আসামিকে যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী নারী নিপা আক্তারকেও থানায় পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
চিকিৎসক দেখাতে রিকশায় করে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন নিপা আক্তার। হঠাৎ তাঁর কানের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেন এক ছিনতাইকারী। ভুক্তভোগীর চিৎকারে ধাওয়া করে ট্রাফিক পুলিশ যুবককে ধরে ফেললেও মেলেনি ছিনতাই হওয়া দুল। পরে জানা যায়, ধরা পড়ার ভয়ে আস্ত স্বর্ণের দুলটি গিলে ফেলেছেন তিনি! শেষ পর্যন্ত বমি করিয়ে সেই দুল উদ্ধার করে পুলিশ।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়ে এই অবিশ্বাস্য ও চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। আটক ছিনতাইকারীর নাম মো. সেলিম (২৮)। তিনি রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় যাত্রাবাড়ী মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছিলেন। নিপা আক্তারের চিৎকার শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ধাওয়া করে অভিযুক্ত সেলিমকে আটক করেন কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট ইমরান মৃধা।
আটকের পর সেলিমের দেহ তল্লাশি করে স্বর্ণের দুলটি পাওয়া যায়নি। পরে কড়া জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি স্বীকার করেন যে ধরা পড়ার পরপরই দুলটি পেটে চালান করে দিয়েছেন। পুলিশ বিলম্ব না করে বিশেষ উপায়ে তাঁকে বমি করালে তাঁর পেট থেকে নিখোঁজ দুলটি বের হয়ে আসে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের এসি ট্রাফিক (যাত্রাবাড়ী) জানান, ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের দুলটি সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক আসামিকে যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী নারী নিপা আক্তারকেও থানায় পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন