সরকার ব্যাংকিং খাতের চলমান সংকট সমাধানের বদলে নিজেদের অনুগত লোক বসিয়ে আর্থিক খাতে অস্থিরতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির দায় শেষ পর্যন্ত সরকারকেই নিতে হবে।
শনিবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ব্যাংক খাত দীর্ঘদিন ধরে তারল্য সংকট, খেলাপি ঋণের চাপ এবং আস্থাহীনতার মধ্যে রয়েছে। অথচ সংকট সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ না নিয়ে সরকার ভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত রয়েছে বলে তার দাবি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, শরিয়াহভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক রেজুলেশন আইনের আওতায় একীভূত করা হলেও আমানতকারীদের অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে গ্রাহকদের আস্থা কমছে এবং বিনিয়োগ কার্যক্রমেও ধীরগতি দেখা দিচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকিং কাঠামো কার্যকরভাবে এগোতে না পারার পেছনে নীতি নির্ধারণ পর্যায়ের দুর্বলতা এবং অযাচিত হস্তক্ষেপ কাজ করছে। এতে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে ষড়যন্ত্রের অভিযোগও তোলেন তিনি। তার ভাষায়, বৈধ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে চাপের মুখে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ব্যাংকটির স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, ব্যাংকটির ওপর প্রায় তিন কোটি আমানতকারী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা নির্ভরশীল। পাশাপাশি রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকায় এখানে যেকোনো অস্থিরতা পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ হলে তা ব্যাংক খাতের সুশাসনকে দুর্বল করে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সবশেষে তিনি ব্যাংক খাতে সরকারি হস্তক্ষেপ বন্ধ, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। না হলে আর্থিক খাতে অস্থিতিশীলতার দায় সরকারকেই বহন করতে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
সরকার ব্যাংকিং খাতের চলমান সংকট সমাধানের বদলে নিজেদের অনুগত লোক বসিয়ে আর্থিক খাতে অস্থিরতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির দায় শেষ পর্যন্ত সরকারকেই নিতে হবে।
শনিবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ব্যাংক খাত দীর্ঘদিন ধরে তারল্য সংকট, খেলাপি ঋণের চাপ এবং আস্থাহীনতার মধ্যে রয়েছে। অথচ সংকট সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ না নিয়ে সরকার ভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত রয়েছে বলে তার দাবি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, শরিয়াহভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক রেজুলেশন আইনের আওতায় একীভূত করা হলেও আমানতকারীদের অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে গ্রাহকদের আস্থা কমছে এবং বিনিয়োগ কার্যক্রমেও ধীরগতি দেখা দিচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকিং কাঠামো কার্যকরভাবে এগোতে না পারার পেছনে নীতি নির্ধারণ পর্যায়ের দুর্বলতা এবং অযাচিত হস্তক্ষেপ কাজ করছে। এতে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে ষড়যন্ত্রের অভিযোগও তোলেন তিনি। তার ভাষায়, বৈধ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে চাপের মুখে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ব্যাংকটির স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, ব্যাংকটির ওপর প্রায় তিন কোটি আমানতকারী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা নির্ভরশীল। পাশাপাশি রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকায় এখানে যেকোনো অস্থিরতা পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ হলে তা ব্যাংক খাতের সুশাসনকে দুর্বল করে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সবশেষে তিনি ব্যাংক খাতে সরকারি হস্তক্ষেপ বন্ধ, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। না হলে আর্থিক খাতে অস্থিতিশীলতার দায় সরকারকেই বহন করতে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন