দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৪ শতাংশ বেশি কভারেজ অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং লক্ষ্য হলো একটিও শিশু যেন টিকার বাইরে না থাকে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব: চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের করণীয় এবং জনসচেতনতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বাদ পড়া শিশুদের চিহ্নিত করে তাদেরও টিকার আওতায় আনা হবে। এজন্য সিভিল সার্জনদের স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ নজরদারি ও “মার্কিং সিস্টেম” অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে অতীতে প্রয়োজনীয় আইসিইউ, নবজাতক সেবা এবং নিউমোনিয়া চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। পরে ইউনিসেফ, গ্যাভি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় টিকাসহ বিভিন্ন সহায়তা দ্রুত পাওয়া গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে টেন্ডার ও আউটসোর্সিংকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র সক্রিয় রয়েছে, যার কারণে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার কঠোর তদন্ত ও প্রতিরোধের কথাও তিনি জানান।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কোনোভাবেই দুর্বল করা যাবে না এবং এটি অব্যাহত রাখতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এর নিন্দা জানান।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভিন্ন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা, যারা দেশে হাম পরিস্থিতি, প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৪ শতাংশ বেশি কভারেজ অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং লক্ষ্য হলো একটিও শিশু যেন টিকার বাইরে না থাকে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব: চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের করণীয় এবং জনসচেতনতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বাদ পড়া শিশুদের চিহ্নিত করে তাদেরও টিকার আওতায় আনা হবে। এজন্য সিভিল সার্জনদের স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ নজরদারি ও “মার্কিং সিস্টেম” অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে অতীতে প্রয়োজনীয় আইসিইউ, নবজাতক সেবা এবং নিউমোনিয়া চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। পরে ইউনিসেফ, গ্যাভি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় টিকাসহ বিভিন্ন সহায়তা দ্রুত পাওয়া গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে টেন্ডার ও আউটসোর্সিংকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র সক্রিয় রয়েছে, যার কারণে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার কঠোর তদন্ত ও প্রতিরোধের কথাও তিনি জানান।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কোনোভাবেই দুর্বল করা যাবে না এবং এটি অব্যাহত রাখতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এর নিন্দা জানান।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভিন্ন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা, যারা দেশে হাম পরিস্থিতি, প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন