হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে পরিবহন শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বন্ধ ছিল ব্যস্ততম ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে এ অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও দূরপাল্লার যানবাহনের যাত্রীরা।
জানা যায়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় কয়েকটি বাস আড়াআড়িভাবে দাঁড় করিয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সিলেটমুখী ও ঢাকামুখী উভয় লেনে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। মুহূর্তেই মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবরোধ চলাকালে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ যাত্রীদের দুর্ভোগ ছিল সবচেয়ে বেশি। অনেক যাত্রীকে যানবাহন থেকে নেমে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে দেখা গেছে। কেউ কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে চরম ভোগান্তির শিকার হন।
পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ–সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে বিরতিহীন বাস চলাচল নিয়ে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি এ রুটে বাস চলাচলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, মৌলভীবাজার এলাকায় কয়েকটি বাস আটকে শ্রমিকদের মারধর করা হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
এর আগে একই ইস্যুকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ সিলেটসহ জেলার কয়েকটি রুটে বাস চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও শনিবার পুনরায় শ্রমিকদের ওপর হামলা ও বাস আটকে দেওয়ার অভিযোগে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর প্রশাসনের আশ্বাসে দুপুর আড়াইটার দিকে শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এরপর ধীরে ধীরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
আন্দোলনকারী শ্রমিকরা জানান, সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তঃজেলা পরিবহন রুট নিয়ে বিরোধ দ্রুত সমাধান না হলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে পরিবহন শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বন্ধ ছিল ব্যস্ততম ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে এ অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও দূরপাল্লার যানবাহনের যাত্রীরা।
জানা যায়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় কয়েকটি বাস আড়াআড়িভাবে দাঁড় করিয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সিলেটমুখী ও ঢাকামুখী উভয় লেনে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। মুহূর্তেই মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবরোধ চলাকালে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ যাত্রীদের দুর্ভোগ ছিল সবচেয়ে বেশি। অনেক যাত্রীকে যানবাহন থেকে নেমে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে দেখা গেছে। কেউ কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে চরম ভোগান্তির শিকার হন।
পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ–সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে বিরতিহীন বাস চলাচল নিয়ে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি এ রুটে বাস চলাচলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, মৌলভীবাজার এলাকায় কয়েকটি বাস আটকে শ্রমিকদের মারধর করা হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
এর আগে একই ইস্যুকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ সিলেটসহ জেলার কয়েকটি রুটে বাস চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও শনিবার পুনরায় শ্রমিকদের ওপর হামলা ও বাস আটকে দেওয়ার অভিযোগে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর প্রশাসনের আশ্বাসে দুপুর আড়াইটার দিকে শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এরপর ধীরে ধীরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
আন্দোলনকারী শ্রমিকরা জানান, সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তঃজেলা পরিবহন রুট নিয়ে বিরোধ দ্রুত সমাধান না হলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন