ঢাকা    মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

খুলনার হরিণটানা ফজলুল বারী স্কুল সড়ক পাকা করার দাবি


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬

খুলনার হরিণটানা ফজলুল বারী স্কুল সড়ক পাকা করার দাবি
গত ১১ জুন খুলনার হরিণটানা এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা রোডে একটি মিনি ট্রাক পার্শ্ববর্তী খালে পড়ে যায়। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি।

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের উত্তর হরিণটানা এলাকায় অবস্থিত কেএএম ফজলুল বারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ইটের তৈরি সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক উঁচুনিচু হয়ে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও পথচারীদের। ঘটছে হরহামেশা দুর্ঘটনাও।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খুলনা সিটি করপোরেশনের সীমানা সংলগ্ন বাগমারা ব্রিজ অতিক্রম করে এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা রোডে অবস্থিত এই সড়কটি এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। সড়কের দুই পাশে রয়েছে কেএএম ফজলুল বারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা, মসজিদসহ ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা। প্রতিদিন শত শত মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে এর সংস্কার বা পাকাকরণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় ব্যাংকার রফিকুল ইসলাম বলেন, "স্কুলপড়ুয়া শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্ষাকালে সড়কের অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে যায়। অনেক সময় রিকশা বা মোটরসাইকেলও চলাচল করতে পারে না। দ্রুত সড়কটি পাকা করা জরুরি।"

আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ লিপন বলেন, "এটি শুধু একটি রাস্তা নয়; আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের উপায়। সড়কের এমন বেহাল দশা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।"

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল মজিদ বলেন, "সড়ক খারাপ থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। রোগী পরিবহন থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আনা-নেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। জনগণের ভোগান্তি বিবেচনায় দ্রুত পাকাকরণের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"

এলাকাবাসী জানান, সম্প্রতি সড়কের কিছু কিছু অংশে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আরসিসি ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ। তবে মেইন রোড থেকে এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা ও কেএএম ফজলুল বারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের অংশ পর্যন্ত সড়কটিতে এখনো ইটের সয়েলিং আছে। ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে বহু স্থান। যা বর্ষা মৌসুমেও ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তির সৃষ্টি করছে।

জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সড়কটি পাকা করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও এলজিইডি কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

#আরইউএস

বিষয় : খুলনা

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


খুলনার হরিণটানা ফজলুল বারী স্কুল সড়ক পাকা করার দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের উত্তর হরিণটানা এলাকায় অবস্থিত কেএএম ফজলুল বারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ইটের তৈরি সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক উঁচুনিচু হয়ে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও পথচারীদের। ঘটছে হরহামেশা দুর্ঘটনাও।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খুলনা সিটি করপোরেশনের সীমানা সংলগ্ন বাগমারা ব্রিজ অতিক্রম করে এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা রোডে অবস্থিত এই সড়কটি এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। সড়কের দুই পাশে রয়েছে কেএএম ফজলুল বারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা, মসজিদসহ ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা। প্রতিদিন শত শত মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে এর সংস্কার বা পাকাকরণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় ব্যাংকার রফিকুল ইসলাম বলেন, "স্কুলপড়ুয়া শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্ষাকালে সড়কের অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে যায়। অনেক সময় রিকশা বা মোটরসাইকেলও চলাচল করতে পারে না। দ্রুত সড়কটি পাকা করা জরুরি।"

আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ লিপন বলেন, "এটি শুধু একটি রাস্তা নয়; আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের উপায়। সড়কের এমন বেহাল দশা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।"

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল মজিদ বলেন, "সড়ক খারাপ থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। রোগী পরিবহন থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আনা-নেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। জনগণের ভোগান্তি বিবেচনায় দ্রুত পাকাকরণের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"

এলাকাবাসী জানান, সম্প্রতি সড়কের কিছু কিছু অংশে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আরসিসি ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ। তবে মেইন রোড থেকে এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা ও কেএএম ফজলুল বারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের অংশ পর্যন্ত সড়কটিতে এখনো ইটের সয়েলিং আছে। ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে বহু স্থান। যা বর্ষা মৌসুমেও ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তির সৃষ্টি করছে।

জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সড়কটি পাকা করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও এলজিইডি কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

#আরইউএস


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ