ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ঘুষ ও জখমী সনদে অনিয়মের অভিযোগ, শেরপুরে সংবাদ সম্মেলন
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, জখমী সনদে অনিয়ম এবং প্রতিপক্ষের দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শেরপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগী পরিবার।
শনিবার (৯ মে) সকালে শেরপুর জেলা শহরের নিউমার্কেটস্থ আইডিইবি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউনিয়নের পশ্চিম গজারিয়া গ্রামের আহত আঃ রহীমের ছোট ভাই মাহবুব আলম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, একই গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে সুখন মিয়ার কাছে তার চাচাতো ভাই রাসেল মিয়ার ৫০০ টাকা পাওনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গত ২৪ মার্চ বিকেলে সুখন মিয়ার ভাই নাজমুল মিয়া রামদা দিয়ে তার ভাই মোঃ আঃ রহীমের মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় তাদের বাবা আনছার আলী, ভাবী সালমা বেগম এবং আমেনা বেগমকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে আঃ রহীমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে তার মাথায় ২১টি সেলাই দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় মাথার খুলির একটি অংশ কেটে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন মাহবুব আলম।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আঃ রহীমের ভাই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে নকলা থানায় আলমগীর হোসেন, তার ছেলে নাজমুল মিয়া ও সুখন মিয়াসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আঃ খালেক আহত আঃ রহীমের জখমী সনদ সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রিকুইজিশন দেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডাঃ আশেক উল্লাহ খাঁনসহ তিন চিকিৎসক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করে গুরুতর জখমের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারার উপযোগী সনদের পরিবর্তে ৩২৫ ধারার সনদ প্রদান করেছেন।
তবে এ বিষয়ে ডাঃ আশেক উল্লাহ খাঁনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
মাহবুব আলম আরও অভিযোগ করেন, হত্যা চেষ্টা মামলাটি ধামাচাপা দিতে প্রতিপক্ষ আলমগীর হোসেন গং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নকলা থানা ও সিআর আমলী আদালতে পৃথক দুটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করে পুনরায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে আঃ রহীমের জন্য ৩২৬ ধারার উপযোগী জখমী সনদ প্রদানের দাবি জানায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আনছার আলী, আবুল বাশার বাদশা, জিয়াউল হক জিয়া, আল মাসুদসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ঘুষ ও জখমী সনদে অনিয়মের অভিযোগ, শেরপুরে সংবাদ সম্মেলন
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, জখমী সনদে অনিয়ম এবং প্রতিপক্ষের দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শেরপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগী পরিবার।
শনিবার (৯ মে) সকালে শেরপুর জেলা শহরের নিউমার্কেটস্থ আইডিইবি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউনিয়নের পশ্চিম গজারিয়া গ্রামের আহত আঃ রহীমের ছোট ভাই মাহবুব আলম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, একই গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে সুখন মিয়ার কাছে তার চাচাতো ভাই রাসেল মিয়ার ৫০০ টাকা পাওনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গত ২৪ মার্চ বিকেলে সুখন মিয়ার ভাই নাজমুল মিয়া রামদা দিয়ে তার ভাই মোঃ আঃ রহীমের মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় তাদের বাবা আনছার আলী, ভাবী সালমা বেগম এবং আমেনা বেগমকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে আঃ রহীমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে তার মাথায় ২১টি সেলাই দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় মাথার খুলির একটি অংশ কেটে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন মাহবুব আলম।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আঃ রহীমের ভাই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে নকলা থানায় আলমগীর হোসেন, তার ছেলে নাজমুল মিয়া ও সুখন মিয়াসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আঃ খালেক আহত আঃ রহীমের জখমী সনদ সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রিকুইজিশন দেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডাঃ আশেক উল্লাহ খাঁনসহ তিন চিকিৎসক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করে গুরুতর জখমের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারার উপযোগী সনদের পরিবর্তে ৩২৫ ধারার সনদ প্রদান করেছেন।
তবে এ বিষয়ে ডাঃ আশেক উল্লাহ খাঁনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
মাহবুব আলম আরও অভিযোগ করেন, হত্যা চেষ্টা মামলাটি ধামাচাপা দিতে প্রতিপক্ষ আলমগীর হোসেন গং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নকলা থানা ও সিআর আমলী আদালতে পৃথক দুটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করে পুনরায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে আঃ রহীমের জন্য ৩২৬ ধারার উপযোগী জখমী সনদ প্রদানের দাবি জানায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আনছার আলী, আবুল বাশার বাদশা, জিয়াউল হক জিয়া, আল মাসুদসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

আপনার মতামত লিখুন