ফরিদপুর ফরিদপুর শহরে রক্তভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে পথচারীদের শরীরে ইনজেকশন পুশ করার ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করার সময় মো. তুফান (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের আলীপুর ব্রিজ এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আটক তুফান শহরের আলীপুর এলাকার মুজিবরের ছেলে এবং একজন চিহ্নিত মাদকসেবী বলে জানা গেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তুফান দীর্ঘ দিন ধরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অত্যন্ত ভয়ংকর ও কৌশলী পদ্ধতিতে ছিনতাই করে আসছিলেন। তিনি মূলত একটি ইনজেকশনের সিরিঞ্জে লাল রঙের তরল (যা তিনি এইডস আক্রান্ত রক্ত বলে দাবি করতেন) ভরে নির্জন পথে পথচারীদের গতিরোধ করতেন। এরপর সিরিঞ্জটি পথচারীর শরীরের কাছে ঠেকিয়ে ভয় দেখাতেন যে, সাথে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন দিয়ে না দিলে এই রক্ত শরীরে পুশ করে দেওয়া হবে। মরণব্যাধি সংক্রমণের ভয়ে সাধারণ মানুষ কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই তার কাছে থাকা সর্বস্ব তুলে দিতে বাধ্য হতো। আজ দুপুরেও একইভাবে আলীপুর ব্রিজ এলাকায় এক পথচারীকে টার্গেট করেন তুফান। তবে ওই পথচারী আতঙ্কিত না হয়ে চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে আসে এবং ধাওয়া করে তুফানকে আটক করে। পরে তাকে উত্তেজিত জনতা গণধোলাই দিয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। ভুক্তভোগীদের দাবি, গত শুক্রবার রাতেও এক সাংবাদিকের কাছ থেকে একইভাবে ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করেছিলেন এই তুফান। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তুফানের সাথে এ ধরনের অভিনব অপরাধে আর কেউ জড়িত আছে কি না, পুলিশ তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে। এই আটকের খবরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও শহরের বিভিন্ন স্পটে পুলিশের নিয়মিত টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
ফরিদপুর ফরিদপুর শহরে রক্তভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে পথচারীদের শরীরে ইনজেকশন পুশ করার ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করার সময় মো. তুফান (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের আলীপুর ব্রিজ এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আটক তুফান শহরের আলীপুর এলাকার মুজিবরের ছেলে এবং একজন চিহ্নিত মাদকসেবী বলে জানা গেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তুফান দীর্ঘ দিন ধরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অত্যন্ত ভয়ংকর ও কৌশলী পদ্ধতিতে ছিনতাই করে আসছিলেন। তিনি মূলত একটি ইনজেকশনের সিরিঞ্জে লাল রঙের তরল (যা তিনি এইডস আক্রান্ত রক্ত বলে দাবি করতেন) ভরে নির্জন পথে পথচারীদের গতিরোধ করতেন। এরপর সিরিঞ্জটি পথচারীর শরীরের কাছে ঠেকিয়ে ভয় দেখাতেন যে, সাথে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন দিয়ে না দিলে এই রক্ত শরীরে পুশ করে দেওয়া হবে। মরণব্যাধি সংক্রমণের ভয়ে সাধারণ মানুষ কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই তার কাছে থাকা সর্বস্ব তুলে দিতে বাধ্য হতো। আজ দুপুরেও একইভাবে আলীপুর ব্রিজ এলাকায় এক পথচারীকে টার্গেট করেন তুফান। তবে ওই পথচারী আতঙ্কিত না হয়ে চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে আসে এবং ধাওয়া করে তুফানকে আটক করে। পরে তাকে উত্তেজিত জনতা গণধোলাই দিয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। ভুক্তভোগীদের দাবি, গত শুক্রবার রাতেও এক সাংবাদিকের কাছ থেকে একইভাবে ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করেছিলেন এই তুফান। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তুফানের সাথে এ ধরনের অভিনব অপরাধে আর কেউ জড়িত আছে কি না, পুলিশ তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে। এই আটকের খবরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও শহরের বিভিন্ন স্পটে পুলিশের নিয়মিত টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন