খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানাধীন চিংড়া সাকিনস্থ বিশ্বজিৎ সরকার এবং একই গ্রামের পঞ্চানন সরকারের পুত্র আকাশ সরকার (২৭) পরস্পর প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে ভাই। আকাশ সরকার দীর্ঘদিন যাবত বিশ্বজিৎ সরকারের মেয়ে প্রিয়াংকা সরকার (ছদ্মনাম) (১৩)-কে অশ্লীল অঙ্গ ভঙ্গিসহ কুপ্রস্তাব দিত।
গত ১৫/০৩/২০২৬ ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় বিশ্বজিৎ সরকার এবং তার স্ত্রী ইতিকা সরকার বাড়িতে না থাকার সুযোগে আকাশ সরকার ভিকটিম প্রিয়াংকা সরকারের বসত ঘরে প্রবেশ করে তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করার জন্য ঝাপটে ধরে খাটের উপর ফেলে দেয়। ভিকটিম তখন আকাশ সরকারের নিকট হতে বাঁচার জন্য চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে আকাশ সরকার ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আকাশ সরকার চলে যাবার সময় বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভিকটিমকে হুমকি দিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিশ্বজিৎ সরকার এবং তার স্ত্রী দুপুরের পর বাড়িতে আসলে ভিকটিম প্রিয়াংকা তাদেরকে বিস্তারিত ঘটনা বলে। ভিকটিমের পরিবার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় এবং লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি তাৎক্ষনিক কাউকে জানাননি।
এ অবস্থায় গত ২০/০৪/২০২৬ ইং সকাল ১০.০০ ঘটিকায় ইতিকা সরকার এবং তার স্বামী তাদের শিশুপুত্রকে নিয়ে পাসপোর্ট করার উদ্দেশ্যে খুলনা পাসপোর্ট অফিসে গেলে সেই সুযোগে ঐ দিন ১৫.৫০ ঘটিকায় আকাশ সরকার পুনরায় ভিকটিম প্রিয়াংকার ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে জড়িয়ে ধরে ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে ভিকটিমের মা ইতিকা সরকার পুলিশ সুপার, পিবিআই, খুলনা বরাবর আসামি আকাশ সরকারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ইতিকা সরকারের লিখিত অভিযোগ প্রাপ্ত হয়ে পুলিশ সুপার, পিবিআই, খুলনা বিষয়টি ছায়া তদন্তের জন্য এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের বিষয়ে ছায়া তদন্তকালে আসামি আকাশ সরকার ভিকটিম প্রিয়াংকা সরকারকে গত ১৫/০৩/২০২৬ ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় ধর্ষণ করেছে মর্মে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ভিকটিমের মা ইতিকা সরকার এই ঘটনায় আসামি আকাশ সরকারের রিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানার মামলা নং-৭, তারিখ: ০৮/০৫/২০২৬ ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধীত-২০০৩) এর ৯(১) দায়ের করেন।
মামলাটি পিবিআই এর শিডিউলভুক্ত হওয়ায় পিবিআই, খুলনা স্ব-উদ্যোগে মামলাটি গ্রহণ করে এবং তদন্তভার এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলার উপর অর্পণ করা হয়। পরবর্তীতে পিবিআই প্রধান জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি, বাংলাদেশ পুলিশ এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায়, পিবিআই খুলনা জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, পিপিএম-সেবা এর নেতৃত্ত্বে পুঃ পরিঃ (নিঃ) মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বিশ্বাস এবং এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলা ডুমুরিয়া থানা এলাকা থেকে আসামির বসতবাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়।
০৮/০৫/২০২৬ ইং আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে আসামি বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।
মামলাটির তদন্ত অব্যাহত আছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানাধীন চিংড়া সাকিনস্থ বিশ্বজিৎ সরকার এবং একই গ্রামের পঞ্চানন সরকারের পুত্র আকাশ সরকার (২৭) পরস্পর প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে ভাই। আকাশ সরকার দীর্ঘদিন যাবত বিশ্বজিৎ সরকারের মেয়ে প্রিয়াংকা সরকার (ছদ্মনাম) (১৩)-কে অশ্লীল অঙ্গ ভঙ্গিসহ কুপ্রস্তাব দিত।
গত ১৫/০৩/২০২৬ ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় বিশ্বজিৎ সরকার এবং তার স্ত্রী ইতিকা সরকার বাড়িতে না থাকার সুযোগে আকাশ সরকার ভিকটিম প্রিয়াংকা সরকারের বসত ঘরে প্রবেশ করে তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করার জন্য ঝাপটে ধরে খাটের উপর ফেলে দেয়। ভিকটিম তখন আকাশ সরকারের নিকট হতে বাঁচার জন্য চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে আকাশ সরকার ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আকাশ সরকার চলে যাবার সময় বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভিকটিমকে হুমকি দিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিশ্বজিৎ সরকার এবং তার স্ত্রী দুপুরের পর বাড়িতে আসলে ভিকটিম প্রিয়াংকা তাদেরকে বিস্তারিত ঘটনা বলে। ভিকটিমের পরিবার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় এবং লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি তাৎক্ষনিক কাউকে জানাননি।
এ অবস্থায় গত ২০/০৪/২০২৬ ইং সকাল ১০.০০ ঘটিকায় ইতিকা সরকার এবং তার স্বামী তাদের শিশুপুত্রকে নিয়ে পাসপোর্ট করার উদ্দেশ্যে খুলনা পাসপোর্ট অফিসে গেলে সেই সুযোগে ঐ দিন ১৫.৫০ ঘটিকায় আকাশ সরকার পুনরায় ভিকটিম প্রিয়াংকার ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে জড়িয়ে ধরে ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে ভিকটিমের মা ইতিকা সরকার পুলিশ সুপার, পিবিআই, খুলনা বরাবর আসামি আকাশ সরকারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ইতিকা সরকারের লিখিত অভিযোগ প্রাপ্ত হয়ে পুলিশ সুপার, পিবিআই, খুলনা বিষয়টি ছায়া তদন্তের জন্য এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের বিষয়ে ছায়া তদন্তকালে আসামি আকাশ সরকার ভিকটিম প্রিয়াংকা সরকারকে গত ১৫/০৩/২০২৬ ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় ধর্ষণ করেছে মর্মে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ভিকটিমের মা ইতিকা সরকার এই ঘটনায় আসামি আকাশ সরকারের রিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানার মামলা নং-৭, তারিখ: ০৮/০৫/২০২৬ ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধীত-২০০৩) এর ৯(১) দায়ের করেন।
মামলাটি পিবিআই এর শিডিউলভুক্ত হওয়ায় পিবিআই, খুলনা স্ব-উদ্যোগে মামলাটি গ্রহণ করে এবং তদন্তভার এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলার উপর অর্পণ করা হয়। পরবর্তীতে পিবিআই প্রধান জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি, বাংলাদেশ পুলিশ এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায়, পিবিআই খুলনা জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, পিপিএম-সেবা এর নেতৃত্ত্বে পুঃ পরিঃ (নিঃ) মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বিশ্বাস এবং এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলা ডুমুরিয়া থানা এলাকা থেকে আসামির বসতবাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়।
০৮/০৫/২০২৬ ইং আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে আসামি বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।
মামলাটির তদন্ত অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন