সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জামতলা বাজার থেকে বাদাঘাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সরকার পরিবর্তন হলেও এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে কাদায় পরিণত হয়। এতে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায় এবং কয়েকটি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে সড়কটির দুরবস্থার খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে ৪ নম্বর উত্তর বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলামের। পরে তিনি নিজ উদ্যোগ ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়কটিতে বালু ভরাটের কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি বৃষ্টির পানিতে বালু ধুয়ে না যাওয়ার জন্য বস্তা দিয়ে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার জানান, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। বাদাঘাট বাজার থেকে জামতলা বাজারে অটোরিকশার মাধ্যমে মালামাল পরিবহন করা হলেও বৃষ্টির সময় রাস্তা কাদায় ভরে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ব্যবসায়ীদের অনেক দূরে মালামাল নামিয়ে মাথায় করে বাজারে নিতে হয়।
জামতলা বাজারের ব্যবসায়ী মো. হিরন মিয়া বলেন, “আমাদের ব্যবসার প্রয়োজনীয় মালামাল আনতে বাদাঘাট যেতে হয়। কিন্তু রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে অটোরিকশা বাজার পর্যন্ত আসতে পারে না। এতে অতিরিক্ত খরচ ও দুর্ভোগ পোহাতে হয়।”
স্থানীয়দের দুর্ভোগের খবর প্রকাশের পর দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ায় শফিকুল ইসলামের প্রশংসা করছেন এলাকাবাসী। শফিকুল ইসলাম বলেন, “মানুষের চলাচলের সুবিধা ও ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যেই আমি নিজ অর্থায়নে কাজ শুরু করেছি। ভবিষ্যতেও মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।
এসময় তিনি সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল-এর কাছে দ্রুত জামতলা-বাদাঘাট সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জামতলা বাজার থেকে বাদাঘাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সরকার পরিবর্তন হলেও এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে কাদায় পরিণত হয়। এতে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায় এবং কয়েকটি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে সড়কটির দুরবস্থার খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে ৪ নম্বর উত্তর বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলামের। পরে তিনি নিজ উদ্যোগ ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়কটিতে বালু ভরাটের কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি বৃষ্টির পানিতে বালু ধুয়ে না যাওয়ার জন্য বস্তা দিয়ে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার জানান, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। বাদাঘাট বাজার থেকে জামতলা বাজারে অটোরিকশার মাধ্যমে মালামাল পরিবহন করা হলেও বৃষ্টির সময় রাস্তা কাদায় ভরে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ব্যবসায়ীদের অনেক দূরে মালামাল নামিয়ে মাথায় করে বাজারে নিতে হয়।
জামতলা বাজারের ব্যবসায়ী মো. হিরন মিয়া বলেন, “আমাদের ব্যবসার প্রয়োজনীয় মালামাল আনতে বাদাঘাট যেতে হয়। কিন্তু রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে অটোরিকশা বাজার পর্যন্ত আসতে পারে না। এতে অতিরিক্ত খরচ ও দুর্ভোগ পোহাতে হয়।”
স্থানীয়দের দুর্ভোগের খবর প্রকাশের পর দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ায় শফিকুল ইসলামের প্রশংসা করছেন এলাকাবাসী। শফিকুল ইসলাম বলেন, “মানুষের চলাচলের সুবিধা ও ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যেই আমি নিজ অর্থায়নে কাজ শুরু করেছি। ভবিষ্যতেও মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।
এসময় তিনি সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল-এর কাছে দ্রুত জামতলা-বাদাঘাট সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন