চলমান হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সরকার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। আজ শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ বা অন্য কোনো পক্ষের কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না তা নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে টিকার সংকট বা সময়মতো সরবরাহে কোনো অবহেলা হয়েছে কি না, তদন্ত প্রতিবেদনে সেই বিষয়টিও উঠে আসবে এবং প্রতিবেদনটি দ্রুতই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ উদ্বেগজনক, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যুসহ চলতি প্রাদুর্ভাবে মোট মৃতের সংখ্যা ৩৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। সারা দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং হাজার হাজার শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, হামের প্রাদুর্ভাব থাকলেও এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই, তবে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টিকাদান কার্যক্রম ব্যাপক হারে জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি রুখতে সরকার দেশেই হাম ও ডেঙ্গুর টিকা উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
চলমান হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সরকার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। আজ শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ বা অন্য কোনো পক্ষের কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না তা নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে টিকার সংকট বা সময়মতো সরবরাহে কোনো অবহেলা হয়েছে কি না, তদন্ত প্রতিবেদনে সেই বিষয়টিও উঠে আসবে এবং প্রতিবেদনটি দ্রুতই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ উদ্বেগজনক, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যুসহ চলতি প্রাদুর্ভাবে মোট মৃতের সংখ্যা ৩৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। সারা দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং হাজার হাজার শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, হামের প্রাদুর্ভাব থাকলেও এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই, তবে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টিকাদান কার্যক্রম ব্যাপক হারে জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি রুখতে সরকার দেশেই হাম ও ডেঙ্গুর টিকা উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আপনার মতামত লিখুন