বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশজুড়ে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সময় আর্দ্রতা ও জমে থাকা পানির কারণে মশার প্রজনন দ্রুত বাড়ে, ফলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ডায়রিয়া ও বিভিন্ন সংক্রামক রোগও ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
বিশেষ করে ঢাকা ও অন্যান্য শহরাঞ্চলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, বৃষ্টি জমে থাকা ডোবা, ড্রেন, ফুলের টব কিংবা খোলা পাত্রে পানি জমে থাকলেই সেখানে এডিস মশার বংশবিস্তার ঘটে, যা ডেঙ্গু ছড়ানোর প্রধান কারণ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় হঠাৎ জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, দুর্বলতা কিংবা বমি ভাব দেখা দিলে তা অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। অনেক সময় দেরি হলে রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
তারা আরও বলেন, শুধু চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত বাসা-বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ করা এবং মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা এখন অত্যন্ত জরুরি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনগুলোকে নিয়মিত স্প্রে কার্যক্রম চালানো, পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাড়ানো এবং জনগণকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
সব মিলিয়ে বর্ষাকালকে সামনে রেখে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় এখনই সতর্ক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশজুড়ে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সময় আর্দ্রতা ও জমে থাকা পানির কারণে মশার প্রজনন দ্রুত বাড়ে, ফলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ডায়রিয়া ও বিভিন্ন সংক্রামক রোগও ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
বিশেষ করে ঢাকা ও অন্যান্য শহরাঞ্চলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, বৃষ্টি জমে থাকা ডোবা, ড্রেন, ফুলের টব কিংবা খোলা পাত্রে পানি জমে থাকলেই সেখানে এডিস মশার বংশবিস্তার ঘটে, যা ডেঙ্গু ছড়ানোর প্রধান কারণ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় হঠাৎ জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, দুর্বলতা কিংবা বমি ভাব দেখা দিলে তা অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। অনেক সময় দেরি হলে রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
তারা আরও বলেন, শুধু চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত বাসা-বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ করা এবং মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা এখন অত্যন্ত জরুরি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনগুলোকে নিয়মিত স্প্রে কার্যক্রম চালানো, পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাড়ানো এবং জনগণকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
সব মিলিয়ে বর্ষাকালকে সামনে রেখে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় এখনই সতর্ক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন