তিন সপ্তাহের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আবার উৎপাদন শুরু করেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার Eastern Refinery Limited। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে শোধন কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শরীফ হাসনাত জানান, সকালে প্ল্যান্ট চালু করা হলেও পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে যেতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে।
এর আগে Saudi Arabia থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি ট্যাংকার বুধবার কুতুবদিয়া অ্যাংকরে পৌঁছায়। পরে লাইটারিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তেল শোধনাগারে পৌঁছানো হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে শোধনাগারটির উৎপাদন ব্যাহত হয়। ১২ এপ্রিল মূল ক্রুড ডিস্টিলেশন ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে অন্যান্য ইউনিটও ধাপে ধাপে বন্ধ হয়ে যায়।
Bangladesh Petroleum Corporation–এর তথ্যমতে, দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল ইস্টার্ন রিফাইনারির মাধ্যমে পরিশোধন করা হয়।
বাংলাদেশ সরকার সাধারণত Saudi Arabia ও United Arab Emirates থেকে সরকারি চুক্তির মাধ্যমে তেল আমদানি করে। তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কিছু ট্যাংকারের যাত্রা বিলম্বিত হওয়ায় সরবরাহ সংকট আরও তীব্র হয়।
নতুন চালান পৌঁছানোর পর ধাপে ধাপে উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
তিন সপ্তাহের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আবার উৎপাদন শুরু করেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার Eastern Refinery Limited। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে শোধন কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শরীফ হাসনাত জানান, সকালে প্ল্যান্ট চালু করা হলেও পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে যেতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে।
এর আগে Saudi Arabia থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি ট্যাংকার বুধবার কুতুবদিয়া অ্যাংকরে পৌঁছায়। পরে লাইটারিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তেল শোধনাগারে পৌঁছানো হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে শোধনাগারটির উৎপাদন ব্যাহত হয়। ১২ এপ্রিল মূল ক্রুড ডিস্টিলেশন ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে অন্যান্য ইউনিটও ধাপে ধাপে বন্ধ হয়ে যায়।
Bangladesh Petroleum Corporation–এর তথ্যমতে, দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল ইস্টার্ন রিফাইনারির মাধ্যমে পরিশোধন করা হয়।
বাংলাদেশ সরকার সাধারণত Saudi Arabia ও United Arab Emirates থেকে সরকারি চুক্তির মাধ্যমে তেল আমদানি করে। তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কিছু ট্যাংকারের যাত্রা বিলম্বিত হওয়ায় সরবরাহ সংকট আরও তীব্র হয়।
নতুন চালান পৌঁছানোর পর ধাপে ধাপে উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন