নারী নির্যাতন, ধর্ষণসহ সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমাজে নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে আরও দ্রুত, কঠোর এবং কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার নীতি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে, পাশাপাশি ডিজিটাল মনিটরিং ও দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকেও মাঠ পর্যায়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জোরদার করতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন খাতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে নারীদের দক্ষ করে তোলা হবে, যাতে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে পারেন। বিশেষ করে তরুণীদের জন্য উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি বাড়ানো হচ্ছে, যেখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা শুরু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
সরকারি সূত্র জানায়, প্রশিক্ষণ শেষে সহজ শর্তে ঋণ, বাজার সংযোগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার ব্যবস্থাও থাকবে। এর মাধ্যমে নারীরা শুধু চাকরির ওপর নির্ভর না করে নিজেরাও উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন।
নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, নারীর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন একসঙ্গে এগোলে সমাজে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে। সহিংসতা কমার পাশাপাশি নারীরা আরও বেশি করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবেন বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
নারী নির্যাতন, ধর্ষণসহ সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমাজে নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে আরও দ্রুত, কঠোর এবং কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার নীতি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে, পাশাপাশি ডিজিটাল মনিটরিং ও দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকেও মাঠ পর্যায়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জোরদার করতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন খাতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে নারীদের দক্ষ করে তোলা হবে, যাতে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে পারেন। বিশেষ করে তরুণীদের জন্য উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি বাড়ানো হচ্ছে, যেখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা শুরু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
সরকারি সূত্র জানায়, প্রশিক্ষণ শেষে সহজ শর্তে ঋণ, বাজার সংযোগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার ব্যবস্থাও থাকবে। এর মাধ্যমে নারীরা শুধু চাকরির ওপর নির্ভর না করে নিজেরাও উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন।
নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, নারীর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন একসঙ্গে এগোলে সমাজে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে। সহিংসতা কমার পাশাপাশি নারীরা আরও বেশি করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবেন বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন