বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী তরুণী নিজেই বাদী হয়ে অভিযুক্ত মোঃ আরিফ জাহান (২৮)-এর বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযুক্ত আরিফ জাহান উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের উথরাইল আকন্দপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আতোয়ার হোসেনের ছেলে। মামলা সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে পড়াশোনার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সময় আরিফ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা আশ্বাস দিতেন।
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। তরুণী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে আরিফ বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি জানান, তার পরিবারের সবাই রাজি থাকলেও তার মা নাকি বিয়েতে সম্মতি দিচ্ছেন না। এরপর মাকে রাজি করানোর কথা বলে গত ১২ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি তরুণীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেদিন আরিফের বাবা-মা বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। এ সুযোগে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তিনি তরুণীকে বাড়িতে অবস্থান করান এবং রাতভর জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগীর দাবি, তিনি বারবার অনুরোধ ও প্রতিবাদ জানালেও আরিফ তা উপেক্ষা করেন। পরদিন সকালে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে অভিযুক্ত সরাসরি অস্বীকৃতি জানান এবং তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং সামাজিকভাবে অপমান ও লাঞ্ছনার শিকার হন বলে জানান। পরবর্তীতে তিনি ন্যায়বিচারের আশায় থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া জানান, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমন ঘটনার দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করতে সাহস না পায়।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী তরুণী নিজেই বাদী হয়ে অভিযুক্ত মোঃ আরিফ জাহান (২৮)-এর বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযুক্ত আরিফ জাহান উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের উথরাইল আকন্দপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আতোয়ার হোসেনের ছেলে। মামলা সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে পড়াশোনার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সময় আরিফ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা আশ্বাস দিতেন।
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। তরুণী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে আরিফ বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি জানান, তার পরিবারের সবাই রাজি থাকলেও তার মা নাকি বিয়েতে সম্মতি দিচ্ছেন না। এরপর মাকে রাজি করানোর কথা বলে গত ১২ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি তরুণীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেদিন আরিফের বাবা-মা বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। এ সুযোগে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তিনি তরুণীকে বাড়িতে অবস্থান করান এবং রাতভর জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগীর দাবি, তিনি বারবার অনুরোধ ও প্রতিবাদ জানালেও আরিফ তা উপেক্ষা করেন। পরদিন সকালে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে অভিযুক্ত সরাসরি অস্বীকৃতি জানান এবং তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং সামাজিকভাবে অপমান ও লাঞ্ছনার শিকার হন বলে জানান। পরবর্তীতে তিনি ন্যায়বিচারের আশায় থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া জানান, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমন ঘটনার দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করতে সাহস না পায়।

আপনার মতামত লিখুন