নাটোরের লালপুর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে নুপুর খাতুন (১৩) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকালে উপজেলার বড়বড়িয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নুপুর খাতুন ওই গ্রামের গোলাম জাকারিয়ার মেয়ে। শুক্রবার সকালে পারিবারিক একটি ঘটনার জেরে, বিশেষ করে সৎ মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য বা অভিমান থেকে সে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দেয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও কিছুক্ষণ পর বিষয়টি তাদের নজরে আসে।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মতে, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোক ও উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রতিবেশীরা জানান, নুপুর শান্ত স্বভাবের একজন কিশোরী ছিল এবং তার এমন মৃত্যু কেউই মেনে নিতে পারছে না। হঠাৎ এমন ঘটনা ঘটায় পরিবার ও এলাকাবাসী গভীরভাবে শোকাহত।
এদিকে লালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি একটি অপমৃত্যু হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনা এলাকায় বিরাজমান পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে। তারা কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
নুপুর খাতুনের মৃত্যুতে তার পরিবারসহ পুরো বড়বড়িয়া গ্রামে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
নাটোরের লালপুর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে নুপুর খাতুন (১৩) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকালে উপজেলার বড়বড়িয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নুপুর খাতুন ওই গ্রামের গোলাম জাকারিয়ার মেয়ে। শুক্রবার সকালে পারিবারিক একটি ঘটনার জেরে, বিশেষ করে সৎ মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য বা অভিমান থেকে সে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দেয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও কিছুক্ষণ পর বিষয়টি তাদের নজরে আসে।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মতে, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোক ও উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রতিবেশীরা জানান, নুপুর শান্ত স্বভাবের একজন কিশোরী ছিল এবং তার এমন মৃত্যু কেউই মেনে নিতে পারছে না। হঠাৎ এমন ঘটনা ঘটায় পরিবার ও এলাকাবাসী গভীরভাবে শোকাহত।
এদিকে লালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি একটি অপমৃত্যু হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনা এলাকায় বিরাজমান পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে। তারা কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
নুপুর খাতুনের মৃত্যুতে তার পরিবারসহ পুরো বড়বড়িয়া গ্রামে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন