বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী সরকারি আজিজুল হক কলেজ-এর বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ, যা স্থানীয়দের কাছে “সাভানা পার্ক” নামে পরিচিত, সেখানে সম্প্রতি প্রকাশ্যে অশালীন আচরণ ও মাদক সেবনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
জানা গেছে, একসময় পড়াশোনা, অবসর কাটানো ও মানসিক প্রশান্তির জন্য পরিচিত এই নিরিবিলি স্থানটি এখন বিকেলের পর কিছু অসচেতন তরুণ-তরুণীর বেপরোয়া আচরণের কারণে অস্বস্তিকর পরিবেশে পরিণত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যার পর মাঠের নির্জন অংশ ও পুকুরপাড়ে নিয়মিতভাবে মাদকসেবনের আসর বসছে, যা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
শিক্ষার্থীদের একাংশ বলছে, প্রশাসনের নজরের মধ্যেই এসব কর্মকাণ্ড চললেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় সংশ্লিষ্টরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেমন বিব্রত হচ্ছে, তেমনি কলেজটির দীর্ঘদিনের সুনামও ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কখনোই অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল হতে পারে না। প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রকাশ্যে অশালীন আচরণ ও মাদকসেবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। তাই তারা কলেজ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ছাত্রসমাজের সমন্বিত উদ্যোগে নিয়মিত টহল জোরদার, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের মতে, দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হলে এই জনপ্রিয় স্থানের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং শিক্ষাঙ্গনের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী সরকারি আজিজুল হক কলেজ-এর বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ, যা স্থানীয়দের কাছে “সাভানা পার্ক” নামে পরিচিত, সেখানে সম্প্রতি প্রকাশ্যে অশালীন আচরণ ও মাদক সেবনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
জানা গেছে, একসময় পড়াশোনা, অবসর কাটানো ও মানসিক প্রশান্তির জন্য পরিচিত এই নিরিবিলি স্থানটি এখন বিকেলের পর কিছু অসচেতন তরুণ-তরুণীর বেপরোয়া আচরণের কারণে অস্বস্তিকর পরিবেশে পরিণত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যার পর মাঠের নির্জন অংশ ও পুকুরপাড়ে নিয়মিতভাবে মাদকসেবনের আসর বসছে, যা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
শিক্ষার্থীদের একাংশ বলছে, প্রশাসনের নজরের মধ্যেই এসব কর্মকাণ্ড চললেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় সংশ্লিষ্টরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেমন বিব্রত হচ্ছে, তেমনি কলেজটির দীর্ঘদিনের সুনামও ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কখনোই অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল হতে পারে না। প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রকাশ্যে অশালীন আচরণ ও মাদকসেবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। তাই তারা কলেজ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ছাত্রসমাজের সমন্বিত উদ্যোগে নিয়মিত টহল জোরদার, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের মতে, দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হলে এই জনপ্রিয় স্থানের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং শিক্ষাঙ্গনের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন