হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার আমতলী চা বাগানের ব্যবস্থাপক সোহেল রানা পাঠানকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে যে ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, তাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন বাগানবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত আক্রোশ ও অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
বাগান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান ব্যবস্থাপক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমতলী চা বাগানের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষা, শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছেন। তারা বলছেন, বাগানের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ উন্নত করা এবং শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
আমতলী চা বাগানের হেড ফ্যাক্টরি ক্লার্ক এম. কায়ছার বলেন, বাগানের দৈনন্দিন উৎপাদন কার্যক্রম, প্রশাসনিক কাজ এবং শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বর্তমান ব্যবস্থাপক অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে বাগানের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ বা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
এদিকে, আমতলী চা বাগানের ব্যবস্থাপক সোহেল রানা পাঠান নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে বাগানের উন্নয়ন, শ্রমিক কল্যাণ এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার ভাষায়, একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বাগানের শ্রমিক ও স্থানীয়দের একটি অংশও বর্তমান ব্যবস্থাপকের পক্ষে মত দিয়ে জানান, তার দায়িত্বকালীন সময়ে বাগানে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয় বলে তারা মনে করেন। তাদের দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো অপতথ্য বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।
অন্যদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য প্রচার করা সামাজিক বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তারা এ ধরনের অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং যারা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার আমতলী চা বাগানের ব্যবস্থাপক সোহেল রানা পাঠানকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে যে ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, তাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন বাগানবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত আক্রোশ ও অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
বাগান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান ব্যবস্থাপক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমতলী চা বাগানের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষা, শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছেন। তারা বলছেন, বাগানের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ উন্নত করা এবং শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
আমতলী চা বাগানের হেড ফ্যাক্টরি ক্লার্ক এম. কায়ছার বলেন, বাগানের দৈনন্দিন উৎপাদন কার্যক্রম, প্রশাসনিক কাজ এবং শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বর্তমান ব্যবস্থাপক অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে বাগানের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ বা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
এদিকে, আমতলী চা বাগানের ব্যবস্থাপক সোহেল রানা পাঠান নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে বাগানের উন্নয়ন, শ্রমিক কল্যাণ এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার ভাষায়, একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বাগানের শ্রমিক ও স্থানীয়দের একটি অংশও বর্তমান ব্যবস্থাপকের পক্ষে মত দিয়ে জানান, তার দায়িত্বকালীন সময়ে বাগানে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয় বলে তারা মনে করেন। তাদের দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো অপতথ্য বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।
অন্যদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য প্রচার করা সামাজিক বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তারা এ ধরনের অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং যারা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন