ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) উপজেলার বৈলর–কাঁঠাল ইউনিয়নের সীমানায় অবস্থিত দরার খালে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ ছিল অবৈধভাবে নির্মিত একটি বাঁধ। সেই বাঁধটি অবশেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকালে পরিচালিত এ অভিযানের পর খালে আবার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরে এসেছে, ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে খালের ওপর অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে পানি চলাচল বন্ধ করে রেখেছিল। এতে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং আশপাশের কৃষিজমিতে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বোরো মৌসুমে এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে ওঠে, যার কারণে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন এবং চাষাবাদে ভোগান্তি বাড়ে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তার নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ বাঁধটি সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হলে খালের পানি প্রবাহ পুনরায় সচল হয়।
অভিযানের পর স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেন। তারা জানান, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর হওয়ায় এখন জমি থেকে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং কৃষিকাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে এলাকার কৃষি উৎপাদনেও উন্নতি ঘটবে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, খাল ও জলাশয়ে অবৈধ দখল বা বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি যাতে কেউ পুনরায় এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম না চালাতে পারে, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসনের এই উদ্যোগ শুধু সাময়িক সমাধান নয়, বরং এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার একটি স্থায়ী উন্নয়নের পথ তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে এমন সমস্যা আর তৈরি হবে না।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) উপজেলার বৈলর–কাঁঠাল ইউনিয়নের সীমানায় অবস্থিত দরার খালে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ ছিল অবৈধভাবে নির্মিত একটি বাঁধ। সেই বাঁধটি অবশেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকালে পরিচালিত এ অভিযানের পর খালে আবার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরে এসেছে, ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে খালের ওপর অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে পানি চলাচল বন্ধ করে রেখেছিল। এতে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং আশপাশের কৃষিজমিতে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বোরো মৌসুমে এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে ওঠে, যার কারণে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন এবং চাষাবাদে ভোগান্তি বাড়ে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তার নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ বাঁধটি সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হলে খালের পানি প্রবাহ পুনরায় সচল হয়।
অভিযানের পর স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেন। তারা জানান, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর হওয়ায় এখন জমি থেকে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং কৃষিকাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে এলাকার কৃষি উৎপাদনেও উন্নতি ঘটবে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, খাল ও জলাশয়ে অবৈধ দখল বা বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি যাতে কেউ পুনরায় এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম না চালাতে পারে, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসনের এই উদ্যোগ শুধু সাময়িক সমাধান নয়, বরং এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার একটি স্থায়ী উন্নয়নের পথ তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে এমন সমস্যা আর তৈরি হবে না।

আপনার মতামত লিখুন