রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে ডাকসুর কয়েকজন নেতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি থেকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে এক শিক্ষার্থী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে তাকে আটক করে রাখা হয়। পরে তাকে উদ্ধারের জন্য ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী, সমাজসেবা সম্পাদক এবি যুবায়েরসহ অন্য নেতারা থানায় গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হন।
এদিকে একই দিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে শিবিরের একটি মিছিলে হামলা চালানো হয়। এছাড়া কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
ঘটনার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এসব হামলাকে “ন্যক্কারজনক” ও “গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়ে একটি মহল অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং সব ছাত্রসংগঠনের জন্য সহাবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ডাকসু নেতারাও হামলার নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, থানার ভেতরে এ ধরনের হামলার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন হামলার ঘটনা শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে ডাকসুর কয়েকজন নেতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি থেকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে এক শিক্ষার্থী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে তাকে আটক করে রাখা হয়। পরে তাকে উদ্ধারের জন্য ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী, সমাজসেবা সম্পাদক এবি যুবায়েরসহ অন্য নেতারা থানায় গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হন।
এদিকে একই দিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে শিবিরের একটি মিছিলে হামলা চালানো হয়। এছাড়া কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
ঘটনার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এসব হামলাকে “ন্যক্কারজনক” ও “গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়ে একটি মহল অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং সব ছাত্রসংগঠনের জন্য সহাবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ডাকসু নেতারাও হামলার নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, থানার ভেতরে এ ধরনের হামলার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন হামলার ঘটনা শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন