ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নাসিরাবাদ ইউনিয়নের দুয়াইর গ্রামের এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শালা ও দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণী শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভাঙ্গা থানায় এসে অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার পরামর্শ দেয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে অভিযুক্ত দুলাভাই আলমগীর হোসেন (৪৫) কৌশলে ওই তরুণীকে ডেকে নেয়। সে সময় জানানো হয়, তার শালা মোঃ জলিল খাঁ (২২) তাকে দেখতে চায় এবং বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী। পরে বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ এলাকার একটি ফাঁকা বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সেখানে নিয়ে প্রথমে দুলাভাই আলমগীর হোসেন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর একই স্থানে তার শালা জলিল খাঁ পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় কিছু মাতুব্বর গত দুইদিন ধরে বিষয়টি ‘মীমাংসা’ করার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে বলে জানা গেছে। এতে পরিবারটি মানসিকভাবে চাপে পড়ে এবং আইনি পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, অভিযুক্তরা প্রথমে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে তাকে প্রলুব্ধ করে এবং সেই সুযোগেই এ ঘটনা ঘটায়। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এক ভুক্তভোগী নারী থানায় অভিযোগ দিতে এসেছিলেন। যেহেতু ঘটনাটি ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় ঘটেছে, তাই সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করতে হবে। প্রয়োজনে আইনগত সহায়তা দিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের ঘটনায় কোনো ধরনের সামাজিক মীমাংসা নয়, বরং দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণই হতে পারে ন্যায়বিচারের একমাত্র পথ।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নাসিরাবাদ ইউনিয়নের দুয়াইর গ্রামের এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শালা ও দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণী শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভাঙ্গা থানায় এসে অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার পরামর্শ দেয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে অভিযুক্ত দুলাভাই আলমগীর হোসেন (৪৫) কৌশলে ওই তরুণীকে ডেকে নেয়। সে সময় জানানো হয়, তার শালা মোঃ জলিল খাঁ (২২) তাকে দেখতে চায় এবং বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী। পরে বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ এলাকার একটি ফাঁকা বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সেখানে নিয়ে প্রথমে দুলাভাই আলমগীর হোসেন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর একই স্থানে তার শালা জলিল খাঁ পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় কিছু মাতুব্বর গত দুইদিন ধরে বিষয়টি ‘মীমাংসা’ করার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে বলে জানা গেছে। এতে পরিবারটি মানসিকভাবে চাপে পড়ে এবং আইনি পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, অভিযুক্তরা প্রথমে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে তাকে প্রলুব্ধ করে এবং সেই সুযোগেই এ ঘটনা ঘটায়। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এক ভুক্তভোগী নারী থানায় অভিযোগ দিতে এসেছিলেন। যেহেতু ঘটনাটি ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় ঘটেছে, তাই সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করতে হবে। প্রয়োজনে আইনগত সহায়তা দিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের ঘটনায় কোনো ধরনের সামাজিক মীমাংসা নয়, বরং দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণই হতে পারে ন্যায়বিচারের একমাত্র পথ।

আপনার মতামত লিখুন