দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি এবং প্রধান শিক্ষককে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মোতালেব হোসেন (৪৯) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত মোতালেব হোসেন উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের হালুয়াঘাট আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের শিক্ষক। তিনি একই ইউনিয়নের ধরন্জী গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক পড়া জিজ্ঞাসার অজুহাতে এক শিক্ষার্থীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এছাড়াও, গত ৩০ মার্চ নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেনকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওইদিন প্রকাশ্য স্থানে প্রধান শিক্ষককে চড়-থাপ্পড় মারেন এবং নানা ধরনের হুমকি দেন মোতালেব হোসেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাদা মোঃ আব্দুর রহমান বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০২০) এর ১০ ধারাসহ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। মামলার নম্বর ০৭, তারিখ ৮ এপ্রিল ২০২৬।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জামিউল ইসলাম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর বুধবার (৮ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি এবং প্রধান শিক্ষককে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মোতালেব হোসেন (৪৯) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত মোতালেব হোসেন উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের হালুয়াঘাট আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের শিক্ষক। তিনি একই ইউনিয়নের ধরন্জী গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক পড়া জিজ্ঞাসার অজুহাতে এক শিক্ষার্থীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এছাড়াও, গত ৩০ মার্চ নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেনকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওইদিন প্রকাশ্য স্থানে প্রধান শিক্ষককে চড়-থাপ্পড় মারেন এবং নানা ধরনের হুমকি দেন মোতালেব হোসেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাদা মোঃ আব্দুর রহমান বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০২০) এর ১০ ধারাসহ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। মামলার নম্বর ০৭, তারিখ ৮ এপ্রিল ২০২৬।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জামিউল ইসলাম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর বুধবার (৮ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন