ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ঘোষিত ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (৮ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসাইনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ওই আসনের বিজয়ী প্রার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের প্রতি সমন জারি করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রেজাল্টশিট, ব্যালট পেপারসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জামাদি দ্রুত সংরক্ষণে নিতে।
নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। ফলাফলে আব্দুল বাতেন ৮৮,৮২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, যেখানে আমিনুল হক পান ৮৫,৪৬৭ ভোট। মাত্র ৩,৩৬১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত আমিনুল হক পরবর্তীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন অন্তর্বর্তীকালীন বা বিশেষ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর (টেকনোক্র্যাট) দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নির্বাচনে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তুলেই এই ফলাফলকে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এটি কেবল ঢাকা-১৬ আসন নয়, বরং সারা দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে এখন পর্যন্ত ১৫টিরও বেশি নির্বাচনী আবেদন হাইকোর্টে জমা পড়েছে। আদালত এসব সংবেদনশীল আবেদনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর নির্বাচনী সামগ্রী নিরাপদ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিচ্ছেন। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও প্রকৃত জনমত যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা আদালতের সমন পাওয়ার পর তাদের জবাব দাখিল করবেন এবং পরবর্তীতে নিয়মিত শুনানির মাধ্যমে এই আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ও বৈধতা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন হাইকোর্ট।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ঘোষিত ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (৮ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসাইনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ওই আসনের বিজয়ী প্রার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের প্রতি সমন জারি করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রেজাল্টশিট, ব্যালট পেপারসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জামাদি দ্রুত সংরক্ষণে নিতে।
নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। ফলাফলে আব্দুল বাতেন ৮৮,৮২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, যেখানে আমিনুল হক পান ৮৫,৪৬৭ ভোট। মাত্র ৩,৩৬১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত আমিনুল হক পরবর্তীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন অন্তর্বর্তীকালীন বা বিশেষ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর (টেকনোক্র্যাট) দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নির্বাচনে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তুলেই এই ফলাফলকে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এটি কেবল ঢাকা-১৬ আসন নয়, বরং সারা দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে এখন পর্যন্ত ১৫টিরও বেশি নির্বাচনী আবেদন হাইকোর্টে জমা পড়েছে। আদালত এসব সংবেদনশীল আবেদনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর নির্বাচনী সামগ্রী নিরাপদ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিচ্ছেন। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও প্রকৃত জনমত যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা আদালতের সমন পাওয়ার পর তাদের জবাব দাখিল করবেন এবং পরবর্তীতে নিয়মিত শুনানির মাধ্যমে এই আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ও বৈধতা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন হাইকোর্ট।

আপনার মতামত লিখুন