সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের শিবের বাজার দিঘীরপাড় গ্রামে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলায় যুবক আব্দুল্লাহ নিহত হওয়ার প্রায় এক মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। এতে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ, অসন্তোষ ও হতাশা বাড়ছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
আসামিদের গ্রেপ্তার ও
বিচারের দাবিতে স্থানীয়রা ইতোমধ্যে দুই
দফা
মানববন্ধন করেছেন। এসব
কর্মসূচি থেকে
দ্রুত
আসামিদের গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত
ও
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
জানানো
হয়।
তবে
মানববন্ধন ও
ধারাবাহিক দাবির
পরও
কোনো
আসামি
গ্রেপ্তার না
হওয়ায়
ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
গত ২৭
জুলাই
সকালে
বসতভিটার জমির
মালিকানা নিয়ে
দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে
দুই
পক্ষের
মধ্যে
সংঘর্ষ
হয়।
এতে
বুদু
উল্লাহর ছেলে
আব্দুল্লাহ গুরুতর
আহত
হন।
স্থানীয়রা তাকে
উদ্ধার
করে
সিলেট
এম
এ
জি
ওসমানী
মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি
করেন।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই
দিন
সন্ধ্যায় তার
মৃত্যু
হয়।
স্থানীয় সূত্র
জানায়,
একই
গ্রামের মবশ্বির আলী
ও
বুদু
উল্লাহ
পরিবারের মধ্যে
বসতভিটার জমির
মালিকানা নিয়ে
দীর্ঘদিন ধরে
বিরোধ
চলে
আসছিল।
বিষয়টি
নিয়ে
একাধিকবার সালিশ
বৈঠক
হলেও
স্থায়ী
কোনো
সমাধান
হয়নি।
ঘটনার দিন
সকালে
মবশ্বির আলী
পক্ষের
লোকজন
বিরোধপূর্ণ জমিতে
বাঁশ
কাটাসহ
দখলের
চেষ্টা
করলে
অপর
পক্ষ
বাধা
দেয়।
এ
নিয়ে
প্রথমে
কথাকাটাকাটি এবং
পরে
উত্তেজনা সৃষ্টি
হয়।
একপর্যায়ে আব্দুল্লাহ হামলার
শিকার
হয়ে
গুরুতর
আহত
হন।
পরে
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার
মৃত্যু
হয়।
এ ঘটনায়
নিহত
আব্দুল্লাহর ছোট
ভাই
মাহফুজ
বাদী
হয়ে
গত
২৯
জুলাই
জালালাবাদ থানায়
মামলা
দায়ের করেন। মামলায়
৯
জনের
নাম
উল্লেখ
করে
আরও
৭-৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি
করা
হয়েছে। যার মামলা নং-১৮ ।
নিহতের পরিবার ও স্বজনদের প্রশ্ন,প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা হওয়ার পরও কেন প্রায় এক মাসে কোনো আসামি গ্রেপ্তার হলো না? দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে
আইনের
আওতায়
আনার
দাবি
জানান তারা।
এলাকাবাসীর
ভাষ্য, দুই দফা মানববন্ধনের পরও আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের পদক্ষেপ ও তদন্তের অগ্রগতি
সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য চান তারা। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,
দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সিলেট
মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার
(গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম বলেন, আব্দুল্লাহ হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়েও তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামিরা মোবাইল ফোন ব্যবহার না করায় তাদের
শনাক্তে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের শিবের বাজার দিঘীরপাড় গ্রামে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলায় যুবক আব্দুল্লাহ নিহত হওয়ার প্রায় এক মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। এতে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ, অসন্তোষ ও হতাশা বাড়ছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
আসামিদের গ্রেপ্তার ও
বিচারের দাবিতে স্থানীয়রা ইতোমধ্যে দুই
দফা
মানববন্ধন করেছেন। এসব
কর্মসূচি থেকে
দ্রুত
আসামিদের গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত
ও
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
জানানো
হয়।
তবে
মানববন্ধন ও
ধারাবাহিক দাবির
পরও
কোনো
আসামি
গ্রেপ্তার না
হওয়ায়
ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
গত ২৭
জুলাই
সকালে
বসতভিটার জমির
মালিকানা নিয়ে
দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে
দুই
পক্ষের
মধ্যে
সংঘর্ষ
হয়।
এতে
বুদু
উল্লাহর ছেলে
আব্দুল্লাহ গুরুতর
আহত
হন।
স্থানীয়রা তাকে
উদ্ধার
করে
সিলেট
এম
এ
জি
ওসমানী
মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি
করেন।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই
দিন
সন্ধ্যায় তার
মৃত্যু
হয়।
স্থানীয় সূত্র
জানায়,
একই
গ্রামের মবশ্বির আলী
ও
বুদু
উল্লাহ
পরিবারের মধ্যে
বসতভিটার জমির
মালিকানা নিয়ে
দীর্ঘদিন ধরে
বিরোধ
চলে
আসছিল।
বিষয়টি
নিয়ে
একাধিকবার সালিশ
বৈঠক
হলেও
স্থায়ী
কোনো
সমাধান
হয়নি।
ঘটনার দিন
সকালে
মবশ্বির আলী
পক্ষের
লোকজন
বিরোধপূর্ণ জমিতে
বাঁশ
কাটাসহ
দখলের
চেষ্টা
করলে
অপর
পক্ষ
বাধা
দেয়।
এ
নিয়ে
প্রথমে
কথাকাটাকাটি এবং
পরে
উত্তেজনা সৃষ্টি
হয়।
একপর্যায়ে আব্দুল্লাহ হামলার
শিকার
হয়ে
গুরুতর
আহত
হন।
পরে
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার
মৃত্যু
হয়।
এ ঘটনায়
নিহত
আব্দুল্লাহর ছোট
ভাই
মাহফুজ
বাদী
হয়ে
গত
২৯
জুলাই
জালালাবাদ থানায়
মামলা
দায়ের করেন। মামলায়
৯
জনের
নাম
উল্লেখ
করে
আরও
৭-৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি
করা
হয়েছে। যার মামলা নং-১৮ ।
নিহতের পরিবার ও স্বজনদের প্রশ্ন,প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা হওয়ার পরও কেন প্রায় এক মাসে কোনো আসামি গ্রেপ্তার হলো না? দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে
আইনের
আওতায়
আনার
দাবি
জানান তারা।
এলাকাবাসীর
ভাষ্য, দুই দফা মানববন্ধনের পরও আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের পদক্ষেপ ও তদন্তের অগ্রগতি
সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য চান তারা। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,
দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সিলেট
মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার
(গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম বলেন, আব্দুল্লাহ হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়েও তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামিরা মোবাইল ফোন ব্যবহার না করায় তাদের
শনাক্তে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন