পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মোহাম্মদপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
হুসাইনী ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় শুক্রবার জুমার নামাজের পর শিয়া জামে মসজিদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে বাঁশবাড়ী, মোহাম্মদপুর, আল্লাহ করিম জামে মসজিদ ও নূরজাহান রোডসহ এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শিয়া জামে মসজিদে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
আয়োজনে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার ও পতাকা দেখা যায়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে পুরো মিছিলের পথজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
আয়োজকদের তথ্যমতে, মোহাম্মদপুরের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা মিছিলে যোগ দেন। আলেম-ওলামা, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মিছিল উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তব্য দেন হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা ড. আলী মুর্তজা। এছাড়া বক্তব্য দেন হুজ্জাতুল ইসলাম শাহাদাত এবং হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা মেরাজ মুন্সী।
বক্তারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁর শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ, শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানবতার কল্যাণে দেওয়া বার্তা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বক্তারা বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ মুসলমানদের জন্য অনুসরণীয়। সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁর শিক্ষা অনুসরণের আহ্বান জানান তারা।
জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। নির্ধারিত পথ ধরে মিছিলটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। মিছিল শেষে অংশগ্রহণকারীরা পুনরায় শিয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সমবেত হন।
হুসাইনী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মুসল্লি, আলেম-ওলামা, স্বেচ্ছাসেবক, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং আয়োজন বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও সহযোগিতায় কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মোহাম্মদপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
হুসাইনী ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় শুক্রবার জুমার নামাজের পর শিয়া জামে মসজিদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে বাঁশবাড়ী, মোহাম্মদপুর, আল্লাহ করিম জামে মসজিদ ও নূরজাহান রোডসহ এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শিয়া জামে মসজিদে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
আয়োজনে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার ও পতাকা দেখা যায়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে পুরো মিছিলের পথজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
আয়োজকদের তথ্যমতে, মোহাম্মদপুরের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা মিছিলে যোগ দেন। আলেম-ওলামা, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মিছিল উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তব্য দেন হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা ড. আলী মুর্তজা। এছাড়া বক্তব্য দেন হুজ্জাতুল ইসলাম শাহাদাত এবং হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা মেরাজ মুন্সী।
বক্তারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁর শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ, শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানবতার কল্যাণে দেওয়া বার্তা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বক্তারা বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ মুসলমানদের জন্য অনুসরণীয়। সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁর শিক্ষা অনুসরণের আহ্বান জানান তারা।
জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। নির্ধারিত পথ ধরে মিছিলটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। মিছিল শেষে অংশগ্রহণকারীরা পুনরায় শিয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সমবেত হন।
হুসাইনী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মুসল্লি, আলেম-ওলামা, স্বেচ্ছাসেবক, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং আয়োজন বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও সহযোগিতায় কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন