পদ্মা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব কমে এলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে নিশ্চিত করেছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
কুয়াশার কবলে ফেরি চলাচল
সোমবার ভোর ৫টা ১০ মিনিট থেকে পদ্মা নদী এলাকায় হঠাৎ কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যায়। এতে নৌপথের মার্কিং পয়েন্ট ও সিগন্যাল বাতি অস্পষ্ট হয়ে পড়ায় নৌচলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এ সময় মাঝনদীতে ‘শাহ পরান’ নামের একটি রো-রো ফেরিসহ বেশ কয়েকটি ফেরি যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ে।
ভোগান্তির পর স্বস্তি
দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া উভয় ঘাটে কয়েকশ যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও ছোট যানবাহন আটকা পড়ে। কনকনে শীত ও কুয়াশার মধ্যে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থেকে যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, সকাল ৮টায় কুয়াশা কেটে গেলে ফেরিগুলো নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি
বর্তমানে এই নৌরুটে মোট ১৪টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস ও পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে আগে পার করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের আশা, দ্রুতই ঘাটের যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
পদ্মা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব কমে এলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে নিশ্চিত করেছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
কুয়াশার কবলে ফেরি চলাচল
সোমবার ভোর ৫টা ১০ মিনিট থেকে পদ্মা নদী এলাকায় হঠাৎ কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যায়। এতে নৌপথের মার্কিং পয়েন্ট ও সিগন্যাল বাতি অস্পষ্ট হয়ে পড়ায় নৌচলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এ সময় মাঝনদীতে ‘শাহ পরান’ নামের একটি রো-রো ফেরিসহ বেশ কয়েকটি ফেরি যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ে।
ভোগান্তির পর স্বস্তি
দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া উভয় ঘাটে কয়েকশ যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও ছোট যানবাহন আটকা পড়ে। কনকনে শীত ও কুয়াশার মধ্যে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থেকে যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, সকাল ৮টায় কুয়াশা কেটে গেলে ফেরিগুলো নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি
বর্তমানে এই নৌরুটে মোট ১৪টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস ও পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে আগে পার করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের আশা, দ্রুতই ঘাটের যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন