ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে পবিত্র রমজান মাসে খাবারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং নিম্নমান নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইফতার ও সাহরির সময় খাবারের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হলেও গুণগত মানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। হল প্রশাসন ও ডাকসু প্রতিনিধিদের এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ভূমিকা না থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্যান্টিন মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করছেন।
বিভিন্ন হলে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাতের যে খাবার ৫০-৬০ টাকায় পাওয়া যায়, সাহরির সময় সেই একই খাবারের দাম রাখা হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। বিজয় একাত্তর হলের ক্যান্টিন ম্যানেজার শাহে আলম জানিয়েছেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং কোনো ধরনের সরকারি ভর্তুকি না থাকায় তারা দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, দাম বাড়লেও ডাল যেন 'হলুদ পানি' আর মাংসের টুকরোগুলো অত্যন্ত ছোট। এমনকি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে রান্না করায় খাবারে প্রায়ই তেলাপোকা ও পোকামাকড় পাওয়া যাচ্ছে।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা এই নিম্নমানের খাবার ও অতিরিক্ত টেস্টিং সল্ট ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) সায়মা হক বিদিশা খাবারের মান খারাপ হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও বাজেটের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, ডাকসু প্রতিনিধিরা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের কথা বললেও বাস্তবে খাবারের মানোন্নয়নে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে পবিত্র রমজান মাসে খাবারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং নিম্নমান নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইফতার ও সাহরির সময় খাবারের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হলেও গুণগত মানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। হল প্রশাসন ও ডাকসু প্রতিনিধিদের এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ভূমিকা না থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্যান্টিন মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করছেন।
বিভিন্ন হলে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাতের যে খাবার ৫০-৬০ টাকায় পাওয়া যায়, সাহরির সময় সেই একই খাবারের দাম রাখা হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। বিজয় একাত্তর হলের ক্যান্টিন ম্যানেজার শাহে আলম জানিয়েছেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং কোনো ধরনের সরকারি ভর্তুকি না থাকায় তারা দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, দাম বাড়লেও ডাল যেন 'হলুদ পানি' আর মাংসের টুকরোগুলো অত্যন্ত ছোট। এমনকি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে রান্না করায় খাবারে প্রায়ই তেলাপোকা ও পোকামাকড় পাওয়া যাচ্ছে।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা এই নিম্নমানের খাবার ও অতিরিক্ত টেস্টিং সল্ট ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) সায়মা হক বিদিশা খাবারের মান খারাপ হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও বাজেটের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, ডাকসু প্রতিনিধিরা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের কথা বললেও বাস্তবে খাবারের মানোন্নয়নে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি।

আপনার মতামত লিখুন