চলমান ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনলাইনে ছড়ানো প্রশ্নফাঁসের খবরকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবারও “ভুল, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষকে এসব বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের রোববার (২৬ এপ্রিল) জারি করা সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও অনির্বাচিত নিউজ পোর্টালে ছড়ানো হয়েছে যে ‘এসএসসি বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে’, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ইতোমধ্যেই করেছে এবং কোনো কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন ফাঁস বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গুজবগুলো পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে ছড়ানো শুরু হয়েছে, যার ফলে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা অযথা উদ্বিগ্ন ও বিভ্রান্ত হচ্ছেন। ফলে জনগণকে কেবল ভুয়া খবরের কাছে আকৃষ্ট না হওয়ার পাশাপাশি এই ধরনের সংবাদে কোনো আর্থিক লেনদেনে যুক্ত না হওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডও এক বিজ্ঞপ্তিতে একইভাবে দাবি করেছে যে অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ছড়ানো প্রশ্নফাঁসের “অভিযোগ” মিথ্যা এবং এগুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে। বোর্ড পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (CTTC) ইউনিট অনলাইনে ভুয়া ‘SSC 2026 Question Leak’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারণা চালানোর অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নকল বা ভিত্তিহীন প্রশ্ন সরবরাহ করছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রতারণার বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করছে এবং সামাজিক মাধ্যমসহ সব প্ল্যাটফর্মে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকতে এবং কোনো প্রতারণামূলক প্রস্তাবে কান না দেয়ার তাগাদা দিয়েছেন।
সরকার, শিক্ষা বোর্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একযোগে বার্তা স্পষ্ট এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে চলছে এবং প্রশ্নফাঁসের কোনো সত্যতা নেই। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উচিত সংবাদ যাচাই করে শুধুমাত্র সরকারি বা বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য গ্রহণ করা।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চলমান ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনলাইনে ছড়ানো প্রশ্নফাঁসের খবরকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবারও “ভুল, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষকে এসব বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের রোববার (২৬ এপ্রিল) জারি করা সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও অনির্বাচিত নিউজ পোর্টালে ছড়ানো হয়েছে যে ‘এসএসসি বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে’, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ইতোমধ্যেই করেছে এবং কোনো কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন ফাঁস বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গুজবগুলো পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে ছড়ানো শুরু হয়েছে, যার ফলে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা অযথা উদ্বিগ্ন ও বিভ্রান্ত হচ্ছেন। ফলে জনগণকে কেবল ভুয়া খবরের কাছে আকৃষ্ট না হওয়ার পাশাপাশি এই ধরনের সংবাদে কোনো আর্থিক লেনদেনে যুক্ত না হওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডও এক বিজ্ঞপ্তিতে একইভাবে দাবি করেছে যে অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ছড়ানো প্রশ্নফাঁসের “অভিযোগ” মিথ্যা এবং এগুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে। বোর্ড পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (CTTC) ইউনিট অনলাইনে ভুয়া ‘SSC 2026 Question Leak’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারণা চালানোর অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নকল বা ভিত্তিহীন প্রশ্ন সরবরাহ করছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রতারণার বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করছে এবং সামাজিক মাধ্যমসহ সব প্ল্যাটফর্মে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকতে এবং কোনো প্রতারণামূলক প্রস্তাবে কান না দেয়ার তাগাদা দিয়েছেন।
সরকার, শিক্ষা বোর্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একযোগে বার্তা স্পষ্ট এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে চলছে এবং প্রশ্নফাঁসের কোনো সত্যতা নেই। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উচিত সংবাদ যাচাই করে শুধুমাত্র সরকারি বা বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য গ্রহণ করা।

আপনার মতামত লিখুন