গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার খলাপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে হাবিবুর রহমান ওরফে হবি শিকদার (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, উপজেলার খলাপাড়া এলাকায় সজিব মোল্লা ও তার ভাই সৌরভ মোল্লার একটি গ্রিলের ওয়ার্কশপ রয়েছে। একই এলাকায় রিপন শিকদারের আরেকটি গ্রিলের ওয়ার্কশপ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সৌরভ মোল্লা ও রিপন শিকদারের ছেলে ইকবাল শিকদারের মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন।
পরে সন্ধ্যার দিকে সৌরভ মোল্লা, তার বাবা নজরুল মোল্লা, ভাই সজিব মোল্লা এবং তাদের স্বজন হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন ইকবাল শিকদারের বাড়িতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে আবার উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় বাড়িতে থাকা ইকবাল শিকদার, রিপন শিকদার, আল আমিন ও জেসমিনসহ অন্যরা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে হাবিবুর রহমান গুরুতর আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। এতে সজিব মোল্লা গুরুতর আহত হন এবং জেসমিনও আঘাতপ্রাপ্ত হন।
পরে আহতদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাবিবুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সজিব মোল্লাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। জেসমিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম জানান, রাত পৌনে ৯টার দিকে হাবিবুর রহমানকে হাসপাতালে আনা হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক রিয়াদুল ইসলাম জানান, হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার খলাপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে হাবিবুর রহমান ওরফে হবি শিকদার (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, উপজেলার খলাপাড়া এলাকায় সজিব মোল্লা ও তার ভাই সৌরভ মোল্লার একটি গ্রিলের ওয়ার্কশপ রয়েছে। একই এলাকায় রিপন শিকদারের আরেকটি গ্রিলের ওয়ার্কশপ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সৌরভ মোল্লা ও রিপন শিকদারের ছেলে ইকবাল শিকদারের মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন।
পরে সন্ধ্যার দিকে সৌরভ মোল্লা, তার বাবা নজরুল মোল্লা, ভাই সজিব মোল্লা এবং তাদের স্বজন হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন ইকবাল শিকদারের বাড়িতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে আবার উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় বাড়িতে থাকা ইকবাল শিকদার, রিপন শিকদার, আল আমিন ও জেসমিনসহ অন্যরা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে হাবিবুর রহমান গুরুতর আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। এতে সজিব মোল্লা গুরুতর আহত হন এবং জেসমিনও আঘাতপ্রাপ্ত হন।
পরে আহতদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাবিবুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সজিব মোল্লাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। জেসমিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম জানান, রাত পৌনে ৯টার দিকে হাবিবুর রহমানকে হাসপাতালে আনা হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক রিয়াদুল ইসলাম জানান, হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন