গাজীপুরের কালীগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম অমৃত চন্দ্র সরকার আশিক (২৫)। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং নিহতের ছিনতাইকৃত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বুধবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আটক তিনজনকে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রিয়াদুল ইসলাম জানান, আশিক ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। সেদিন তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে খুঁজে পাননি। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্থানীয়রা জানান, মোক্তারপুর এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি মরদেহ ভাসছে। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করে তা নিখোঁজ আশিকের বলে নিশ্চিত করেন।
সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা যায়, মৃত আশিকের বুকের ডান পাশের পাঁজরের নিচে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং গলায় চামড়ার বেল্ট বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দিয়েছে। নিহতের অটোরিকশার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মোবাইল ফোনের মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা।
নিহতের পরিবার বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও ঢাকার তুরাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেলিম মিয়া (২৩), মো. আলামিন (২৬) ও মো. ছাইফুল ইসলাম (৩৬) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত অটোরিকশা, নিহতের মোবাইল ফোন এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজীপুরের কালীগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম অমৃত চন্দ্র সরকার আশিক (২৫)। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং নিহতের ছিনতাইকৃত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বুধবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আটক তিনজনকে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রিয়াদুল ইসলাম জানান, আশিক ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। সেদিন তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে খুঁজে পাননি। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্থানীয়রা জানান, মোক্তারপুর এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি মরদেহ ভাসছে। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করে তা নিখোঁজ আশিকের বলে নিশ্চিত করেন।
সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা যায়, মৃত আশিকের বুকের ডান পাশের পাঁজরের নিচে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং গলায় চামড়ার বেল্ট বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দিয়েছে। নিহতের অটোরিকশার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মোবাইল ফোনের মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা।
নিহতের পরিবার বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও ঢাকার তুরাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেলিম মিয়া (২৩), মো. আলামিন (২৬) ও মো. ছাইফুল ইসলাম (৩৬) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত অটোরিকশা, নিহতের মোবাইল ফোন এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন