ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ (তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা) আসনের তাড়াশ পৌর শহরে নারী সংরক্ষিত আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিশাত তাসনীম। তার এই মনোনয়ন প্রত্যাশা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নিশাত তাসনীম একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার দাদা ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। পাশাপাশি তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এলাকায় সুনাম অর্জন করেন।
পারিবারিক রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় তার বাবা ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে পরবর্তীতে বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্ব ও সহ-সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও অবদান রাখেন।
জানা যায়, গত ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে পরিবারটি রাজনৈতিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে। নিশাত তাসনীমের শৈশব ও কৈশোর কেটেছে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে। গভীর রাতে বাবাকে গ্রেফতারের ঘটনা তার রাজনৈতিক চেতনা ও আদর্শকে আরও দৃঢ় করেছে বলে ঘনিষ্ঠরা জানান।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে নিশাত তাসনীম বলেন, তাদের পরিবার কখনো ক্ষমতার লোভে রাজনীতি করেনি; বরং মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দাদা ও বাবার আদর্শ ধারণ করেই তিনি নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। নারীর নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনগণের পাশে দাঁড়ানোই তার লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, দীর্ঘদিনের ত্যাগ-সংগ্রাম এবং ছাত্র রাজনীতির অভিজ্ঞতা নিশাত তাসনীমকে মনোনয়ন প্রত্যাশার ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে নারী নেতৃত্বের সম্ভাব্য মুখ হিসেবে এখন আলোচনায় রয়েছেন নিশাত তাসনীম।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ (তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা) আসনের তাড়াশ পৌর শহরে নারী সংরক্ষিত আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিশাত তাসনীম। তার এই মনোনয়ন প্রত্যাশা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নিশাত তাসনীম একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার দাদা ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। পাশাপাশি তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এলাকায় সুনাম অর্জন করেন।
পারিবারিক রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় তার বাবা ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে পরবর্তীতে বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্ব ও সহ-সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও অবদান রাখেন।
জানা যায়, গত ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে পরিবারটি রাজনৈতিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে। নিশাত তাসনীমের শৈশব ও কৈশোর কেটেছে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে। গভীর রাতে বাবাকে গ্রেফতারের ঘটনা তার রাজনৈতিক চেতনা ও আদর্শকে আরও দৃঢ় করেছে বলে ঘনিষ্ঠরা জানান।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে নিশাত তাসনীম বলেন, তাদের পরিবার কখনো ক্ষমতার লোভে রাজনীতি করেনি; বরং মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দাদা ও বাবার আদর্শ ধারণ করেই তিনি নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। নারীর নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনগণের পাশে দাঁড়ানোই তার লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, দীর্ঘদিনের ত্যাগ-সংগ্রাম এবং ছাত্র রাজনীতির অভিজ্ঞতা নিশাত তাসনীমকে মনোনয়ন প্রত্যাশার ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে নারী নেতৃত্বের সম্ভাব্য মুখ হিসেবে এখন আলোচনায় রয়েছেন নিশাত তাসনীম।

আপনার মতামত লিখুন