ঢাকার মোহাম্মদপুরের আদাবর থানা ঘিরে শনিবার রাত আনুমানিক ১টায় ব্যাপক বিক্ষোভ হওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও সাধারণ নাগরিকরা চাঁদাবাজি ও ছিনতাই প্রতিরোধ ও বিচারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন এবং সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সন্ধ্যার পর আদাবরের এক এম্ব্রয়ডারি ফ্যাক্টরিতে চাঁদাবাজির চেষ্টায় ১০–১২ জন সদস্যের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী চাপাতি ও অস্ত্রপ্রতিস্ঠা করে হামলা চালায়। হামলাকারীরা শ্রমিকদের উপর হামলা চালিয়ে মোবাইল ও টাকাসহ অন্যান্য জিনিস ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে; এতে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শ্রমিক ও স্থানীয়রা হামলাকারীদের লিডারকে খুঁজতে শুরু করেন এবং তার বাড়ি ঘিরে ধরলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এরপর উত্তেজিত জনতা রাতেই থানার সামনে জমা হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
মোহাম্মদপুরের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জানান, আহতদের মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কঠোরভাবে তদন্ত করছে।
স্থানীয়রা দাবি করেন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারণে এলাকায় নিত্যদিনের মতো নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং এর দ্রুত সমাধান ও কঠোর পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তারা বিক্ষোভে মিছিল করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকার মোহাম্মদপুরের আদাবর থানা ঘিরে শনিবার রাত আনুমানিক ১টায় ব্যাপক বিক্ষোভ হওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও সাধারণ নাগরিকরা চাঁদাবাজি ও ছিনতাই প্রতিরোধ ও বিচারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন এবং সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সন্ধ্যার পর আদাবরের এক এম্ব্রয়ডারি ফ্যাক্টরিতে চাঁদাবাজির চেষ্টায় ১০–১২ জন সদস্যের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী চাপাতি ও অস্ত্রপ্রতিস্ঠা করে হামলা চালায়। হামলাকারীরা শ্রমিকদের উপর হামলা চালিয়ে মোবাইল ও টাকাসহ অন্যান্য জিনিস ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে; এতে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শ্রমিক ও স্থানীয়রা হামলাকারীদের লিডারকে খুঁজতে শুরু করেন এবং তার বাড়ি ঘিরে ধরলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এরপর উত্তেজিত জনতা রাতেই থানার সামনে জমা হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
মোহাম্মদপুরের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জানান, আহতদের মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কঠোরভাবে তদন্ত করছে।
স্থানীয়রা দাবি করেন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারণে এলাকায় নিত্যদিনের মতো নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং এর দ্রুত সমাধান ও কঠোর পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তারা বিক্ষোভে মিছিল করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন