জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোট সমর্থিত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে উখিয়ায় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার উখিয়ার চারটি ইউনিয়নের সংযোগস্থল কোট বাজার স্টেশন এলাকায় এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। সহস্রাধিক শহীদের রক্তের দায় নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদী, শহীদ মুগ্ধ ও শহীদ আবু সাঈদদের আত্মত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে এই নির্বাচন হচ্ছে।
তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ভোট ডাকাতি রুখে দিতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন কেন্দ্র ত্যাগ না করেন এবং শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করে বিজয় নিয়েই ঘরে ফেরেন।
সভায় বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর ও প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী। তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বিভিন্ন দল সরকার পরিচালনা করলেও দেশকে দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত করা যায়নি। বরং এক সরকার দুর্নীতিতে বিশ্বে একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং আরেক সরকার দীর্ঘদিন বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে দেশকে কার্যত কারাগারে পরিণত করেছিল। ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশ সেই অবস্থা থেকে মুক্ত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, হাজারো শহীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে উখিয়া–টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হবে এবং ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে।
তিনি আরও বলেন, উখিয়া–টেকনাফে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাই তাদের মূল লক্ষ্য। পূর্ববর্তী উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অবশিষ্ট উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হবে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উখিয়া ও টেকনাফে দুটি আলাদা স্টেডিয়াম এবং উখিয়ায় একটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদের জিএস এস এম ফরহাদ, কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, সাবেক সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এ কে এম শাহজালাল চৌধুরী, শাহপুরী গ্রুপের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান ইয়াহিয়া, পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শামশুল হক শারেক, জেলা জামায়াতের সমাজকল্যাণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী, উখিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সোলতান আহমদসহ জামায়াত ও শিবিরের স্থানীয় নেতারা।
বক্তারা দাবি করেন, নুর আহমদ আনোয়ারী টানা ২২ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এই সময়ে কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সভা থেকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানানো হয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোট সমর্থিত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে উখিয়ায় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার উখিয়ার চারটি ইউনিয়নের সংযোগস্থল কোট বাজার স্টেশন এলাকায় এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। সহস্রাধিক শহীদের রক্তের দায় নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদী, শহীদ মুগ্ধ ও শহীদ আবু সাঈদদের আত্মত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে এই নির্বাচন হচ্ছে।
তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ভোট ডাকাতি রুখে দিতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন কেন্দ্র ত্যাগ না করেন এবং শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করে বিজয় নিয়েই ঘরে ফেরেন।
সভায় বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর ও প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী। তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বিভিন্ন দল সরকার পরিচালনা করলেও দেশকে দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত করা যায়নি। বরং এক সরকার দুর্নীতিতে বিশ্বে একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং আরেক সরকার দীর্ঘদিন বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে দেশকে কার্যত কারাগারে পরিণত করেছিল। ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশ সেই অবস্থা থেকে মুক্ত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, হাজারো শহীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে উখিয়া–টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হবে এবং ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে।
তিনি আরও বলেন, উখিয়া–টেকনাফে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাই তাদের মূল লক্ষ্য। পূর্ববর্তী উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অবশিষ্ট উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হবে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উখিয়া ও টেকনাফে দুটি আলাদা স্টেডিয়াম এবং উখিয়ায় একটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদের জিএস এস এম ফরহাদ, কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, সাবেক সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এ কে এম শাহজালাল চৌধুরী, শাহপুরী গ্রুপের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান ইয়াহিয়া, পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শামশুল হক শারেক, জেলা জামায়াতের সমাজকল্যাণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী, উখিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সোলতান আহমদসহ জামায়াত ও শিবিরের স্থানীয় নেতারা।
বক্তারা দাবি করেন, নুর আহমদ আনোয়ারী টানা ২২ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এই সময়ে কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সভা থেকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন