ড. ফয়জুল হক সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে ঝালকাঠি-১ আসনে দলের মনোনয়ন পাওয়ার পর বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। কথিত বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচারে বলেন, বিড়িতে সুখটান দিয়েও যদি কেউ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দাওয়াত দেয়, তবে আল্লাহ তাকে মাফ করে দিয়ে ভালো মানুষ বানিয়ে দিতে পারেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ঝালকাঠির রাজাপুরে এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
নির্বাচনী বক্তব্যে জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হক বলেন, ‘আপনারা দৈনিক বিড়ি খান না, পাঁচ-দশটা বিড়ি যে দোকান থেকে খাবেন, সেখানে গিয়ে বিড়ি অর্ডার দেবেন। লগলগে বিড়ি ধরিয়ে একটা সুখটান দিয়ে বলবেন—কী খবর, দেশের অবস্থা দেখছো? দাঁড়িপাল্লা ছাড়া তো মানুষ দেখি না। আমি তো গল্পের ছলে বলি, তাই বলার কারণে আপনাদের আনন্দ লাগছে।’
পুরুষদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা চা খান দোকানে গিয়ে? এখন থেকে পাঁচ টাকার চা খাবেন, ১৫ টাকার গল্প করবেন। দোকানে গিয়ে শুরু করবেন—শোনলাম সব জায়গায় ড. ফয়জুলের দাঁড়িপাল্লার জয়জয়কার। এভাবে আশপাশে আরও পাঁচ-দশজনকে দাঁড়িপাল্লার কথা শোনাবেন। এতে আপনার কোনো বাড়তি খরচ হবে না, কিন্তু বড় ধরনের খেদমত হবে।’
নারীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন বিকেলে উঠানে গিয়ে গল্প করেন, চুলের বেণি বাঁধেন, একজন আরেকজনের মাথা আঁচড়ান। কিন্তু আজ থেকে আর ফ্রি মাথা আঁচড়াবেন না। দাঁড়িপাল্লার কথা দিয়ে আলোচনা শুরু করবেন। এতদিন তোমার কথা শুনেছি, আজ থেকে তুমি আমার কথা শুনবে। আগামী নির্বাচনে অন্তত একবার কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি ড. ফয়জুল হককে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন এবং আত্মীয়-স্বজনসহ অন্তত ২০ জন নারীকে ফোন করে ভোট দেওয়ার কথা বলবেন।’
নির্বাচনের দিন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের রাতে ঘুমাবেন না। ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত জেগে থাকবেন। এরপর বাসায় ভালো খাবার রান্না করে স্বামীকে নিয়ে আত্মীয়-স্বজনসহ সবার আগে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ভোট দিয়ে গণনা শেষ হলে বিজয় মিছিল করে বাড়ি ফিরে ঘুমাবেন।’
প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে টকশোতে আলোচিত মুখ ড. ফয়জুল হক গত জুলাইয়ে নিজেকে বিএনপির মালয়েশিয়া কমিটির সহ-সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক দাবি করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা দেখা গেলেও এক পর্যায়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
ড. ফয়জুল হক সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে ঝালকাঠি-১ আসনে দলের মনোনয়ন পাওয়ার পর বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। কথিত বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচারে বলেন, বিড়িতে সুখটান দিয়েও যদি কেউ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দাওয়াত দেয়, তবে আল্লাহ তাকে মাফ করে দিয়ে ভালো মানুষ বানিয়ে দিতে পারেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ঝালকাঠির রাজাপুরে এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
নির্বাচনী বক্তব্যে জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হক বলেন, ‘আপনারা দৈনিক বিড়ি খান না, পাঁচ-দশটা বিড়ি যে দোকান থেকে খাবেন, সেখানে গিয়ে বিড়ি অর্ডার দেবেন। লগলগে বিড়ি ধরিয়ে একটা সুখটান দিয়ে বলবেন—কী খবর, দেশের অবস্থা দেখছো? দাঁড়িপাল্লা ছাড়া তো মানুষ দেখি না। আমি তো গল্পের ছলে বলি, তাই বলার কারণে আপনাদের আনন্দ লাগছে।’
পুরুষদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা চা খান দোকানে গিয়ে? এখন থেকে পাঁচ টাকার চা খাবেন, ১৫ টাকার গল্প করবেন। দোকানে গিয়ে শুরু করবেন—শোনলাম সব জায়গায় ড. ফয়জুলের দাঁড়িপাল্লার জয়জয়কার। এভাবে আশপাশে আরও পাঁচ-দশজনকে দাঁড়িপাল্লার কথা শোনাবেন। এতে আপনার কোনো বাড়তি খরচ হবে না, কিন্তু বড় ধরনের খেদমত হবে।’
নারীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন বিকেলে উঠানে গিয়ে গল্প করেন, চুলের বেণি বাঁধেন, একজন আরেকজনের মাথা আঁচড়ান। কিন্তু আজ থেকে আর ফ্রি মাথা আঁচড়াবেন না। দাঁড়িপাল্লার কথা দিয়ে আলোচনা শুরু করবেন। এতদিন তোমার কথা শুনেছি, আজ থেকে তুমি আমার কথা শুনবে। আগামী নির্বাচনে অন্তত একবার কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি ড. ফয়জুল হককে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন এবং আত্মীয়-স্বজনসহ অন্তত ২০ জন নারীকে ফোন করে ভোট দেওয়ার কথা বলবেন।’
নির্বাচনের দিন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের রাতে ঘুমাবেন না। ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত জেগে থাকবেন। এরপর বাসায় ভালো খাবার রান্না করে স্বামীকে নিয়ে আত্মীয়-স্বজনসহ সবার আগে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ভোট দিয়ে গণনা শেষ হলে বিজয় মিছিল করে বাড়ি ফিরে ঘুমাবেন।’
প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে টকশোতে আলোচিত মুখ ড. ফয়জুল হক গত জুলাইয়ে নিজেকে বিএনপির মালয়েশিয়া কমিটির সহ-সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক দাবি করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা দেখা গেলেও এক পর্যায়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

আপনার মতামত লিখুন