ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বাবার মতো পুরুষ খুঁজে না পেয়ে ৫০ বছরেও অবিবাহিত সাবা পাতৌদি


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

বাবার মতো পুরুষ খুঁজে না পেয়ে ৫০ বছরেও অবিবাহিত সাবা পাতৌদি
বোন সাবা পাতৌদির সঙ্গে বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান। ছবি: সংগৃহীত


মা বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। ভাই সাইফ আলি খান ও বোন সোহা আলি খানও রূপালি পর্দার পরিচিত মুখ। এমন তারকা পরিবারে জন্ম নিয়েও আলোঝলমলে বিনোদন জগত থেকে নিজেকে অনেকটাই দূরে রেখেছেন সাবা পাতৌদি। অভিনয়ের পথে না হেঁটে নিজের জন্য বেছে নিয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জীবন।

১৯৭৬ সালের ১ মে জন্ম নেওয়া সাবা পাতৌদি বর্তমানে ৫০ বছর বয়সী। পেশায় তিনি একজন জুয়েলারি ডিজাইনার। পাশাপাশি নিজের ইনস্টাগ্রাম বায়ো অনুযায়ী, তিনি ট্যারোট কার্ড রিডার ও আধ্যাত্মিক হিলার হিসেবেও কাজ করেন। ভোপালের ‘রয়্যাল অ্যান্ডোমেন্ট ট্রাস্ট’-এর দায়িত্বেও যুক্ত আছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় সাবা। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা দুই লাখ ৫৯ হাজারের বেশি। সেখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্ত, ছবি ও ব্যক্তিগত জীবনের টুকরো গল্প শেয়ার করেন তিনি।

তবে পেশাগত পরিচয়ের বাইরে সাবার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে কৌতূহল রয়েছে ভক্তদের। পতৌদি পরিবারের বড় কন্যা হয়েও এখন পর্যন্ত বিয়ে করেননি তিনি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ে না করা এবং জীবনসঙ্গী নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সাবা।

সাবার ভাষ্য, জীবনে তার কোনো ‘প্রথম প্রেমিক’ ছিল না। বরং ১৮-১৯ বছর বয়স থেকেই বিয়ের জন্য তার কাছে বিভিন্ন প্রস্তাব আসতে শুরু করে।

১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে তার বিয়ের আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়েও পৌঁছেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই বিয়ে আর হয়নি। কারণ তখন নিজেকে বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত মনে করেননি সাবা।

পরবর্তী সময়ে বিয়ের বিষয়ে তার মনোভাব বদলালেও মনের মতো জীবনসঙ্গী খুঁজে পাননি বলে জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজের বাবা এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির ব্যক্তিত্বের কথাও তুলে ধরেন সাবা।

তার ভাষায়, বাবা ছিলেন অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী, একই সঙ্গে নম্র ও দায়িত্বশীল। তিনিই তাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন। তাই বাবার মতো হুবহু কাউকে খুঁজছিলেন না, তবে তার মানসিকতার সঙ্গে মানানসই একজন সঙ্গী চেয়েছিলেন।

অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর একটি মন্তব্যও সাবার মনে দাগ কেটেছে। ‘আমার কোনো ছেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একজন পুরুষের’—তাপসীর এই কথার সঙ্গে নিজের ভাবনার মিল খুঁজে পান তিনি।

সাবার কথায়, তিনি আসলে তার মনের মতো বা সেই মানের কোনো সঙ্গী খুঁজে পাননি। তাই বিয়ের জন্য শুধু বিয়ে করার সিদ্ধান্তও নেননি।

তারকা পরিবারের সদস্য হয়েও নিজের মতো করে জীবন বেছে নেওয়া সাবা পাতৌদির গল্পটা তাই কিছুটা আলাদা। পরিবারের অন্যরা যখন অভিনয় ও বিনোদনের জগতে নিজেদের পরিচিতি তৈরি করেছেন, তখন সাবা সেই পথ থেকে সরে গিয়ে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছেন। নিজের স্বাধীনতা ও পছন্দকে গুরুত্ব দিয়েই এখনও জীবন কাটাচ্ছেন পতৌদি পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ কন্যা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বাবার মতো পুরুষ খুঁজে না পেয়ে ৫০ বছরেও অবিবাহিত সাবা পাতৌদি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image


মা বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। ভাই সাইফ আলি খান ও বোন সোহা আলি খানও রূপালি পর্দার পরিচিত মুখ। এমন তারকা পরিবারে জন্ম নিয়েও আলোঝলমলে বিনোদন জগত থেকে নিজেকে অনেকটাই দূরে রেখেছেন সাবা পাতৌদি। অভিনয়ের পথে না হেঁটে নিজের জন্য বেছে নিয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জীবন।

১৯৭৬ সালের ১ মে জন্ম নেওয়া সাবা পাতৌদি বর্তমানে ৫০ বছর বয়সী। পেশায় তিনি একজন জুয়েলারি ডিজাইনার। পাশাপাশি নিজের ইনস্টাগ্রাম বায়ো অনুযায়ী, তিনি ট্যারোট কার্ড রিডার ও আধ্যাত্মিক হিলার হিসেবেও কাজ করেন। ভোপালের ‘রয়্যাল অ্যান্ডোমেন্ট ট্রাস্ট’-এর দায়িত্বেও যুক্ত আছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় সাবা। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা দুই লাখ ৫৯ হাজারের বেশি। সেখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্ত, ছবি ও ব্যক্তিগত জীবনের টুকরো গল্প শেয়ার করেন তিনি।

তবে পেশাগত পরিচয়ের বাইরে সাবার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে কৌতূহল রয়েছে ভক্তদের। পতৌদি পরিবারের বড় কন্যা হয়েও এখন পর্যন্ত বিয়ে করেননি তিনি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ে না করা এবং জীবনসঙ্গী নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সাবা।

সাবার ভাষ্য, জীবনে তার কোনো ‘প্রথম প্রেমিক’ ছিল না। বরং ১৮-১৯ বছর বয়স থেকেই বিয়ের জন্য তার কাছে বিভিন্ন প্রস্তাব আসতে শুরু করে।

১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে তার বিয়ের আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়েও পৌঁছেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই বিয়ে আর হয়নি। কারণ তখন নিজেকে বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত মনে করেননি সাবা।

পরবর্তী সময়ে বিয়ের বিষয়ে তার মনোভাব বদলালেও মনের মতো জীবনসঙ্গী খুঁজে পাননি বলে জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজের বাবা এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির ব্যক্তিত্বের কথাও তুলে ধরেন সাবা।

তার ভাষায়, বাবা ছিলেন অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী, একই সঙ্গে নম্র ও দায়িত্বশীল। তিনিই তাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন। তাই বাবার মতো হুবহু কাউকে খুঁজছিলেন না, তবে তার মানসিকতার সঙ্গে মানানসই একজন সঙ্গী চেয়েছিলেন।

অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর একটি মন্তব্যও সাবার মনে দাগ কেটেছে। ‘আমার কোনো ছেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একজন পুরুষের’—তাপসীর এই কথার সঙ্গে নিজের ভাবনার মিল খুঁজে পান তিনি।

সাবার কথায়, তিনি আসলে তার মনের মতো বা সেই মানের কোনো সঙ্গী খুঁজে পাননি। তাই বিয়ের জন্য শুধু বিয়ে করার সিদ্ধান্তও নেননি।

তারকা পরিবারের সদস্য হয়েও নিজের মতো করে জীবন বেছে নেওয়া সাবা পাতৌদির গল্পটা তাই কিছুটা আলাদা। পরিবারের অন্যরা যখন অভিনয় ও বিনোদনের জগতে নিজেদের পরিচিতি তৈরি করেছেন, তখন সাবা সেই পথ থেকে সরে গিয়ে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছেন। নিজের স্বাধীনতা ও পছন্দকে গুরুত্ব দিয়েই এখনও জীবন কাটাচ্ছেন পতৌদি পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ কন্যা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ