গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার) শুধু মায়ের জন্য নয়, গর্ভের শিশুর জন্যও বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। তবে সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের পাশাপাশি সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম কারণ হতে পারে প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া, আগে থেকে থাকা উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ডায়াবেটিস এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ। আবার অনেক সময় কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই এ সমস্যা দেখা দেয়।
গর্ভাবস্থায় নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করার পাশাপাশি কিছু উপসর্গও উচ্চ রক্তচাপের ইঙ্গিত দিতে পারে। যেমন:
এসব লক্ষণের কোনোটি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, গর্ভাবস্থার উচ্চ রক্তচাপ অবহেলা করলে সময়ের আগেই সন্তান জন্ম, কম ওজনের শিশুর জন্ম, মায়ের কিডনি বা অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি, এমনকি মা ও শিশুর জীবনহানির ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই নিয়মিত প্রসূতি পরীক্ষা, রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন—
এসব খাবারে থাকা পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আঁশ হৃদ্স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে এবং মা ও গর্ভের শিশুর সুস্থ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অতিরিক্ত লবণযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। বিশেষ করে—
খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ধ্যান, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা জার্নাল লেখার মতো অভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে গর্ভাবস্থায় কোনো ধরনের ব্যায়াম শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সবশেষে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, শুধু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করেই গর্ভাবস্থার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এটি একটি চিকিৎসাজনিত সমস্যা। তাই রক্তচাপ বেড়ে গেলে বা কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার) শুধু মায়ের জন্য নয়, গর্ভের শিশুর জন্যও বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। তবে সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের পাশাপাশি সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম কারণ হতে পারে প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া, আগে থেকে থাকা উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ডায়াবেটিস এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ। আবার অনেক সময় কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই এ সমস্যা দেখা দেয়।
গর্ভাবস্থায় নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করার পাশাপাশি কিছু উপসর্গও উচ্চ রক্তচাপের ইঙ্গিত দিতে পারে। যেমন:
এসব লক্ষণের কোনোটি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, গর্ভাবস্থার উচ্চ রক্তচাপ অবহেলা করলে সময়ের আগেই সন্তান জন্ম, কম ওজনের শিশুর জন্ম, মায়ের কিডনি বা অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি, এমনকি মা ও শিশুর জীবনহানির ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই নিয়মিত প্রসূতি পরীক্ষা, রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন—
এসব খাবারে থাকা পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আঁশ হৃদ্স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে এবং মা ও গর্ভের শিশুর সুস্থ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অতিরিক্ত লবণযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। বিশেষ করে—
খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ধ্যান, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা জার্নাল লেখার মতো অভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে গর্ভাবস্থায় কোনো ধরনের ব্যায়াম শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সবশেষে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, শুধু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করেই গর্ভাবস্থার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এটি একটি চিকিৎসাজনিত সমস্যা। তাই রক্তচাপ বেড়ে গেলে বা কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন