জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন, ‘জনাব তারেক রহমান, ১ দফার ঘোষক হয়ে কেমন লাগছে?’
বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরপর দুটি পোস্টে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান সারজিস। তবে ‘১ দফার ঘোষক’ মন্তব্যের বিস্তারিত ব্যাখ্যা তিনি দেননি।
এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রদর্শিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্রে ৩ আগস্ট ঘোষিত ‘এক দফা’ কর্মসূচির কোনো উল্লেখ নেই। পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামও সেখানে অনুপস্থিত বলে দাবি করেন তিনি।
সারজিস আলমের ভাষ্য, প্রামাণ্যচিত্রটি দেখে এমন ধারণা হতে পারে যে, জুলাইয়ে কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি; বরং এটি শুধুই বিএনপির দলীয় আন্দোলন ছিল। ইতিহাসকে দলীয়ভাবে উপস্থাপনের প্রবণতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের যে রাজনৈতিক সংস্কৃতির সমালোচনা করা হতো, বিএনপিও একই পথে হাঁটছে বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, এই ধরনের দলীয় সংকীর্ণতা ও ইতিহাস দখলের প্রবণতা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়। শুধু মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশে এই বিতর্কের দায় এড়ানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উল্লেখ্য, বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ব্যক্তির অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজনের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। এরপর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় এবং সারজিস আলমও নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন, ‘জনাব তারেক রহমান, ১ দফার ঘোষক হয়ে কেমন লাগছে?’
বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরপর দুটি পোস্টে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান সারজিস। তবে ‘১ দফার ঘোষক’ মন্তব্যের বিস্তারিত ব্যাখ্যা তিনি দেননি।
এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রদর্শিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্রে ৩ আগস্ট ঘোষিত ‘এক দফা’ কর্মসূচির কোনো উল্লেখ নেই। পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামও সেখানে অনুপস্থিত বলে দাবি করেন তিনি।
সারজিস আলমের ভাষ্য, প্রামাণ্যচিত্রটি দেখে এমন ধারণা হতে পারে যে, জুলাইয়ে কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি; বরং এটি শুধুই বিএনপির দলীয় আন্দোলন ছিল। ইতিহাসকে দলীয়ভাবে উপস্থাপনের প্রবণতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের যে রাজনৈতিক সংস্কৃতির সমালোচনা করা হতো, বিএনপিও একই পথে হাঁটছে বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, এই ধরনের দলীয় সংকীর্ণতা ও ইতিহাস দখলের প্রবণতা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়। শুধু মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশে এই বিতর্কের দায় এড়ানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উল্লেখ্য, বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ব্যক্তির অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজনের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। এরপর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় এবং সারজিস আলমও নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন