দেশের কোনো মানুষ যেন বিনা চিকিৎসায় প্রাণ না হারান, সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কার্যাদেশ খুব শিগগিরই দেওয়া হবে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে সেবার মান সম্পর্কে খোঁজ নেন।
পরিদর্শনের সময় হাসপাতালে রোগীসেবা, খাবারের মান এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের বিষয়সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা তার নজরে আসে। এসব বিষয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এ সময় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকারদার এবং মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাবিবুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে হাসপাতালসংলগ্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মুফতি কামাল হোসেন পরিচালিত একটি বেসরকারি ক্লিনিকও পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতি দেখতে পেয়ে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার নির্দেশ দেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
দেশের কোনো মানুষ যেন বিনা চিকিৎসায় প্রাণ না হারান, সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কার্যাদেশ খুব শিগগিরই দেওয়া হবে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে সেবার মান সম্পর্কে খোঁজ নেন।
পরিদর্শনের সময় হাসপাতালে রোগীসেবা, খাবারের মান এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের বিষয়সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা তার নজরে আসে। এসব বিষয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এ সময় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকারদার এবং মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাবিবুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে হাসপাতালসংলগ্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মুফতি কামাল হোসেন পরিচালিত একটি বেসরকারি ক্লিনিকও পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতি দেখতে পেয়ে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন