জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী সেপ্টেম্বরজুড়ে বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরগুলোতে গণসমাবেশ করবে খেলাফত মজলিস। একই সঙ্গে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে যতটা সম্ভব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। পাশাপাশি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাও দিয়েছে তারা। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এবং সঞ্চালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে প্রদত্ত গণরায় এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে দেশব্যাপী বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরে গণসমাবেশ আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় অবস্থান শক্তিশালী করতে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। অধিবেশনে নেতারা অভিযোগ করেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায়কে উপেক্ষা করে সরকার সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তাদের দাবি, গণরায়ের প্রতিফলন নিশ্চিত করতে সংসদে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এ সময় বিডিআর হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বর এবং জুলাই গণহত্যাসহ বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানানো হয়। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য প্রসঙ্গে দলটির বক্তব্য, ওই জোটটি মূলত নির্বাচনকেন্দ্রিক সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ায় সেই সমঝোতার কার্যকারিতাও শেষ হয়েছে। ফলে এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেবে না। তবে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গঠনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি সংসদে দলের সদস্যরা বিরোধী দলের ভূমিকায় সক্রিয় থাকবেন বলে উল্লেখ করা হয়। অধিবেশনে শোক প্রস্তাবসহ মোট চারটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। অন্যান্য প্রস্তাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক, সামাজিক অবক্ষয়, স্বাস্থ্য খাতের সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, সীমান্ত ইস্যু এবং ভারতে মুসলিম নির্যাতনসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হয়। অধিবেশনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী সেপ্টেম্বরজুড়ে বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরগুলোতে গণসমাবেশ করবে খেলাফত মজলিস। একই সঙ্গে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে যতটা সম্ভব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। পাশাপাশি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাও দিয়েছে তারা। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এবং সঞ্চালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে প্রদত্ত গণরায় এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে দেশব্যাপী বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরে গণসমাবেশ আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় অবস্থান শক্তিশালী করতে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। অধিবেশনে নেতারা অভিযোগ করেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায়কে উপেক্ষা করে সরকার সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তাদের দাবি, গণরায়ের প্রতিফলন নিশ্চিত করতে সংসদে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এ সময় বিডিআর হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বর এবং জুলাই গণহত্যাসহ বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানানো হয়। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য প্রসঙ্গে দলটির বক্তব্য, ওই জোটটি মূলত নির্বাচনকেন্দ্রিক সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ায় সেই সমঝোতার কার্যকারিতাও শেষ হয়েছে। ফলে এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেবে না। তবে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গঠনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি সংসদে দলের সদস্যরা বিরোধী দলের ভূমিকায় সক্রিয় থাকবেন বলে উল্লেখ করা হয়। অধিবেশনে শোক প্রস্তাবসহ মোট চারটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। অন্যান্য প্রস্তাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক, সামাজিক অবক্ষয়, স্বাস্থ্য খাতের সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, সীমান্ত ইস্যু এবং ভারতে মুসলিম নির্যাতনসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হয়। অধিবেশনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন