রান, উইকেট কিংবা ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের বাইরে গিয়ে এবার ক্রিকেটারদের মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও নিবেদনকে মূল্যায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। জিম্বাবুয়ে সফরে থাকা দলের অন্তর্বর্তিকালীন প্রধান কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণ সাজঘরে চালু করেছেন নতুন সম্মাননা ‘বেস্ট অ্যাটিটিউড অ্যাওয়ার্ড’ (সেরা আচরণ ও মনোভাবের পুরস্কার)। গত বৃহস্পতিবার এ পুরস্কারের ঘোষণা দেন লক্ষ্মণ। তার ভাষ্য, একজন ক্রিকেটারের দক্ষতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ তার ইতিবাচক মানসিকতা, পরিশ্রম এবং দলের প্রতি দায়বদ্ধতা। তাই শুধু ব্যাটিং, বোলিং বা ফিল্ডিংয়ের পরিসংখ্যান নয়, মাঠে ও মাঠের বাইরে একজন খেলোয়াড়ের সামগ্রিক মনোভাবও মূল্যায়ন করা হবে। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই এই নতুন পুরস্কারের প্রথম বিজয়ী হন তিলক ভার্মা। ম্যাচটিতে তার অবদান ছিল একটি ক্যাচ, একটি চার এবং জয়সূচক রান। পরিসংখ্যানের বিচারে এটি খুব বড় কোনো পারফরম্যান্স না হলেও, অনুশীলন থেকে শুরু করে ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে তার একাগ্রতা, প্রস্তুতি এবং ইতিবাচক মানসিকতাই তাকে এই স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। পুরস্কারের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে লক্ষ্মণ বলেন, “একজনের মনোভাব বা ইতিবাচক মানসিকতা তার দক্ষতারই সমতুল্য। তাই টিম ম্যানেজমেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সিরিজে শুধু ফিল্ডিং, বোলিং ও ব্যাটিং নয়, ইতিবাচক মানসিকতাকেও পুরস্কৃত করা হবে।” এই সম্মাননার জন্য খেলোয়াড় নির্বাচন করবেন দলের সাপোর্ট স্টাফরা। বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ হর্ষ এবং পারফরম্যান্স কোচ জয়। তিলকের প্রশংসা করে হর্ষ বলেন, “সে শুধু মাঠের বাইরেই নিজেকে প্রস্তুত করেনি, মাঠের ভেতরেও প্রতিটি মুহূর্তে সর্বোচ্চ নিবেদন দেখিয়েছে। প্রয়োজনের চেয়েও বেশি মনোযোগ ও ক্ষিপ্রতার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করেছে।” পুরস্কার গ্রহণ করে তিলক ভার্মা বলেন, “আমি সব সময় নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। মাঠের বাইরে যা কিছু করি, সেগুলোই মাঠের ভেতরের পারফরম্যান্সে আমাকে সাহায্য করে।” ভারতীয় দলের এই উদ্যোগ ক্রিকেটে নতুন এক বার্তা দিচ্ছে। যেখানে শুধু স্কোরবোর্ড নয়, একজন ক্রিকেটারের চরিত্র, কর্মনিষ্ঠা ও ইতিবাচক মানসিকতাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে অন্যান্য দলগুলোর জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে। এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
রান, উইকেট কিংবা ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের বাইরে গিয়ে এবার ক্রিকেটারদের মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও নিবেদনকে মূল্যায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। জিম্বাবুয়ে সফরে থাকা দলের অন্তর্বর্তিকালীন প্রধান কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণ সাজঘরে চালু করেছেন নতুন সম্মাননা ‘বেস্ট অ্যাটিটিউড অ্যাওয়ার্ড’ (সেরা আচরণ ও মনোভাবের পুরস্কার)। গত বৃহস্পতিবার এ পুরস্কারের ঘোষণা দেন লক্ষ্মণ। তার ভাষ্য, একজন ক্রিকেটারের দক্ষতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ তার ইতিবাচক মানসিকতা, পরিশ্রম এবং দলের প্রতি দায়বদ্ধতা। তাই শুধু ব্যাটিং, বোলিং বা ফিল্ডিংয়ের পরিসংখ্যান নয়, মাঠে ও মাঠের বাইরে একজন খেলোয়াড়ের সামগ্রিক মনোভাবও মূল্যায়ন করা হবে। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই এই নতুন পুরস্কারের প্রথম বিজয়ী হন তিলক ভার্মা। ম্যাচটিতে তার অবদান ছিল একটি ক্যাচ, একটি চার এবং জয়সূচক রান। পরিসংখ্যানের বিচারে এটি খুব বড় কোনো পারফরম্যান্স না হলেও, অনুশীলন থেকে শুরু করে ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে তার একাগ্রতা, প্রস্তুতি এবং ইতিবাচক মানসিকতাই তাকে এই স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। পুরস্কারের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে লক্ষ্মণ বলেন, “একজনের মনোভাব বা ইতিবাচক মানসিকতা তার দক্ষতারই সমতুল্য। তাই টিম ম্যানেজমেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সিরিজে শুধু ফিল্ডিং, বোলিং ও ব্যাটিং নয়, ইতিবাচক মানসিকতাকেও পুরস্কৃত করা হবে।” এই সম্মাননার জন্য খেলোয়াড় নির্বাচন করবেন দলের সাপোর্ট স্টাফরা। বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ হর্ষ এবং পারফরম্যান্স কোচ জয়। তিলকের প্রশংসা করে হর্ষ বলেন, “সে শুধু মাঠের বাইরেই নিজেকে প্রস্তুত করেনি, মাঠের ভেতরেও প্রতিটি মুহূর্তে সর্বোচ্চ নিবেদন দেখিয়েছে। প্রয়োজনের চেয়েও বেশি মনোযোগ ও ক্ষিপ্রতার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করেছে।” পুরস্কার গ্রহণ করে তিলক ভার্মা বলেন, “আমি সব সময় নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। মাঠের বাইরে যা কিছু করি, সেগুলোই মাঠের ভেতরের পারফরম্যান্সে আমাকে সাহায্য করে।” ভারতীয় দলের এই উদ্যোগ ক্রিকেটে নতুন এক বার্তা দিচ্ছে। যেখানে শুধু স্কোরবোর্ড নয়, একজন ক্রিকেটারের চরিত্র, কর্মনিষ্ঠা ও ইতিবাচক মানসিকতাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে অন্যান্য দলগুলোর জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন