মাদারীপুর সরকারি কলেজে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের এক কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাদারীপুর সরকারি কলেজ মাঠে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সক্রিয় কর্মী এবং সংগঠনটির মাদারীপুর জেলা শাখার সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক ইকবাল আমিন সম্রাটের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হাসান হৃদয়ের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে অতর্কিতভাবে মারধর করেন।
জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর পীর সাহেব চরমোনাইকে নিয়ে করা একটি আপত্তিকর পোস্টের প্রতিবাদে ইকবাল আমিন সম্রাট মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তার ওপর হামলা চালানো হয়।
হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত ইকবাল আমিন সম্রাট বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
মাদারীপুর সরকারি কলেজে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের এক কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাদারীপুর সরকারি কলেজ মাঠে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সক্রিয় কর্মী এবং সংগঠনটির মাদারীপুর জেলা শাখার সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক ইকবাল আমিন সম্রাটের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হাসান হৃদয়ের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে অতর্কিতভাবে মারধর করেন।
জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর পীর সাহেব চরমোনাইকে নিয়ে করা একটি আপত্তিকর পোস্টের প্রতিবাদে ইকবাল আমিন সম্রাট মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তার ওপর হামলা চালানো হয়।
হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত ইকবাল আমিন সম্রাট বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন