রাজবাড়ীর ৩ নম্বর বেড়াডাঙ্গা বড়পুল এলাকার বাসিন্দা শেখ সাকিবের বিরুদ্ধে একজনকে মাদক সেবনে প্ররোচিত করে ভিডিও ধারণ এবং পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্ত এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগকারী সূত্রে জানা গেছে, শেখ সাকিব সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কৌশলে এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনে প্ররোচিত করেন। পরে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সেটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি ও ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত শেখ সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন এবং অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তবে অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনাটি ঠিক কবে ঘটেছে, কোথায় ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
রাজবাড়ীর ৩ নম্বর বেড়াডাঙ্গা বড়পুল এলাকার বাসিন্দা শেখ সাকিবের বিরুদ্ধে একজনকে মাদক সেবনে প্ররোচিত করে ভিডিও ধারণ এবং পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্ত এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগকারী সূত্রে জানা গেছে, শেখ সাকিব সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কৌশলে এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনে প্ররোচিত করেন। পরে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সেটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি ও ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত শেখ সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন এবং অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তবে অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনাটি ঠিক কবে ঘটেছে, কোথায় ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন