রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জে একটি পাঁচতলা ভবনের প্রবেশপথ ইটের স্তূপ ও রশি দিয়ে ঘিরে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা কৃষক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী ভবনের মালিক আব্দুল হালিম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের তাহির একডালা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হালিম ভবানীগঞ্জ পৌরসভার চাঁন্দপাড়া মৌজায় আরএস ১৪৯ নম্বর খতিয়ানের ১৯৭৪ ও ১৯৭৫ নম্বর দাগের ৫ শতক জমি মোসলেম আলীর কাছ থেকে বৈধভাবে ক্রয় করেন। পরে ওই জমিতে একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, সম্প্রতি জমির সাবেক মালিক মোসলেম আলীর ছেলে ও রাজশাহী জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেসবাউল হক দুলু ভবনটি ব্যবহারে বাধা দিতে শুরু করেন। এ ঘটনায় তিনি রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
গত ৯ জুলাই আদালত বাদীর পক্ষে রায় দেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিটি বাদীর দখলে রয়েছে এবং সেখানে তার নির্মিত ভবন রয়েছে, তাই বিবাদীপক্ষকে ওই সম্পত্তিতে প্রবেশ বা কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে মেসবাউল হক দুলু ভবনের প্রধান ফটকের সামনে ভাঙা ইট জড়ো করে রাখেন এবং রশি টানিয়ে প্রবেশপথ কার্যত বন্ধ করে দেন। এতে ভবনটিতে যাতায়াত ও ব্যবহার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মেসবাউল হক দুলু বলেন, ভবনের সামনের কিছু জমি তার মালিকানাধীন। আব্দুল হালিম সেই জমি কিনে না নেওয়ায় তিনি প্রবেশপথে ইট রাখা এবং রশি দিয়ে ঘিরে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেন।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আদালতের রায়ের আলোকে অভিযুক্তকে ভবনের গেটের সামনে রাখা ইট ও রশির বেড়া দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জে একটি পাঁচতলা ভবনের প্রবেশপথ ইটের স্তূপ ও রশি দিয়ে ঘিরে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা কৃষক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী ভবনের মালিক আব্দুল হালিম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের তাহির একডালা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হালিম ভবানীগঞ্জ পৌরসভার চাঁন্দপাড়া মৌজায় আরএস ১৪৯ নম্বর খতিয়ানের ১৯৭৪ ও ১৯৭৫ নম্বর দাগের ৫ শতক জমি মোসলেম আলীর কাছ থেকে বৈধভাবে ক্রয় করেন। পরে ওই জমিতে একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, সম্প্রতি জমির সাবেক মালিক মোসলেম আলীর ছেলে ও রাজশাহী জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেসবাউল হক দুলু ভবনটি ব্যবহারে বাধা দিতে শুরু করেন। এ ঘটনায় তিনি রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
গত ৯ জুলাই আদালত বাদীর পক্ষে রায় দেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিটি বাদীর দখলে রয়েছে এবং সেখানে তার নির্মিত ভবন রয়েছে, তাই বিবাদীপক্ষকে ওই সম্পত্তিতে প্রবেশ বা কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে মেসবাউল হক দুলু ভবনের প্রধান ফটকের সামনে ভাঙা ইট জড়ো করে রাখেন এবং রশি টানিয়ে প্রবেশপথ কার্যত বন্ধ করে দেন। এতে ভবনটিতে যাতায়াত ও ব্যবহার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মেসবাউল হক দুলু বলেন, ভবনের সামনের কিছু জমি তার মালিকানাধীন। আব্দুল হালিম সেই জমি কিনে না নেওয়ায় তিনি প্রবেশপথে ইট রাখা এবং রশি দিয়ে ঘিরে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেন।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আদালতের রায়ের আলোকে অভিযুক্তকে ভবনের গেটের সামনে রাখা ইট ও রশির বেড়া দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন