বিশ্বকাপের শিরোপার দৌড়ে এখন টিকে আছে মাত্র আটটি দল। কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই শেষে এই আট দল থেকে চারটি দল জায়গা করে নেবে শেষ চারে। শেষ আটের তালিকায় ইউরোপের আধিপত্যই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের মধ্যে ছয়টি ইউরোপের, একটি দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা এবং একটি আফ্রিকার মরক্কো।
এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্বের আগে বিশ্ব ফুটবলের পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপ্টা তাদের সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। প্রায় ১০ হাজার সিমুলেশন চালিয়ে তৈরি করা এই বিশ্লেষণে সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে এগিয়ে রাখা হয়েছে ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনাকে।
শেষ ষোলোর ম্যাচগুলোতেও অপ্টার পূর্বাভাস ছিল বেশ নির্ভুল। নকআউট পর্বের ১৬টি ম্যাচের মধ্যে ১৪টির সম্ভাব্য বিজয়ী সঠিকভাবে অনুমান করেছিল তারা। পাশাপাশি আটটি ম্যাচের ছয়টির ফলও মিলেছিল তাদের পূর্বাভাসের সঙ্গে।
অপ্টার গাণিতিক মডেলে প্রতিটি দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান, অতীত রেকর্ড এবং নানা ধরনের ম্যাচ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জয়-পরাজয়ের সম্ভাবনা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর বিশ্লেষণভিত্তিক টুল **‘ক্রিস্টাল বল’**ও কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে নিজেদের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। তাদের মূল্যায়নেও ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা নিজ নিজ ম্যাচে এগিয়ে রয়েছে। তবে প্রতিটি ম্যাচেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যেসব দলকে শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার হিসেবে ধরা হয়েছিল, সেই ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত প্রত্যাশার প্রতিফলনই দেখিয়েছে। দুই দলই এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৪টি করে গোল করেছে।
গোলদাতাদের তালিকায় আট গোল নিয়ে শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি। তার ঠিক পেছনে সাতটি করে গোল নিয়ে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড।
‘ক্রিস্টাল বল’-এর বিশ্লেষণ আরও বলছে, ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা শুধু কোয়ার্টার ফাইনালে এগিয়েই নয়, সম্ভাব্য ফাইনালিস্ট হিসেবেও সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ১০.৫ শতাংশ। এমনটি হলে ২০২২ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে দেখা হতে পারে দুই ফুটবল পরাশক্তির।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের শিরোপার দৌড়ে এখন টিকে আছে মাত্র আটটি দল। কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই শেষে এই আট দল থেকে চারটি দল জায়গা করে নেবে শেষ চারে। শেষ আটের তালিকায় ইউরোপের আধিপত্যই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের মধ্যে ছয়টি ইউরোপের, একটি দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা এবং একটি আফ্রিকার মরক্কো।
এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্বের আগে বিশ্ব ফুটবলের পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপ্টা তাদের সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। প্রায় ১০ হাজার সিমুলেশন চালিয়ে তৈরি করা এই বিশ্লেষণে সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে এগিয়ে রাখা হয়েছে ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনাকে।
শেষ ষোলোর ম্যাচগুলোতেও অপ্টার পূর্বাভাস ছিল বেশ নির্ভুল। নকআউট পর্বের ১৬টি ম্যাচের মধ্যে ১৪টির সম্ভাব্য বিজয়ী সঠিকভাবে অনুমান করেছিল তারা। পাশাপাশি আটটি ম্যাচের ছয়টির ফলও মিলেছিল তাদের পূর্বাভাসের সঙ্গে।
অপ্টার গাণিতিক মডেলে প্রতিটি দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান, অতীত রেকর্ড এবং নানা ধরনের ম্যাচ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জয়-পরাজয়ের সম্ভাবনা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর বিশ্লেষণভিত্তিক টুল **‘ক্রিস্টাল বল’**ও কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে নিজেদের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। তাদের মূল্যায়নেও ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা নিজ নিজ ম্যাচে এগিয়ে রয়েছে। তবে প্রতিটি ম্যাচেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যেসব দলকে শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার হিসেবে ধরা হয়েছিল, সেই ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত প্রত্যাশার প্রতিফলনই দেখিয়েছে। দুই দলই এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৪টি করে গোল করেছে।
গোলদাতাদের তালিকায় আট গোল নিয়ে শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি। তার ঠিক পেছনে সাতটি করে গোল নিয়ে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড।
‘ক্রিস্টাল বল’-এর বিশ্লেষণ আরও বলছে, ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা শুধু কোয়ার্টার ফাইনালে এগিয়েই নয়, সম্ভাব্য ফাইনালিস্ট হিসেবেও সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ১০.৫ শতাংশ। এমনটি হলে ২০২২ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে দেখা হতে পারে দুই ফুটবল পরাশক্তির।

আপনার মতামত লিখুন