চুয়াডাঙ্গায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সর্বজনীন পেনশন মেলা, আলোচনা সভা, কর্মশালা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে ভবিষ্যৎ জীবন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান। উদ্বোধনের পর তিনি ও অন্যান্য অতিথিরা মেলায় অংশ নেওয়া ২৪টি স্টল পরিদর্শন করেন এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, পেনশন ব্যবস্থা শুধু ব্যক্তির ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তাই নিশ্চিত করে না, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সঞ্চয় বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি সর্বস্তরের মানুষকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং একটি টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সহজে পেনশন সেবা পৌঁছে দিতে সরকার প্রযুক্তিনির্ভর ও সহজলভ্য ব্যবস্থা চালু করেছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব। পেনশন স্কিম একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ও চুয়াডাঙ্গা পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার। তিনি জাতীয় পেনশন স্কিমের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ ও প্রশাসন) শেখ কামরুল হাসান, চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দীন আহমেদ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারী কমিশনার ফাহাদ চৌধুরী, জমির উদ্দিন, সাগর দে, আব্দুল্লাহ আল শামীম, জেলা মার্কেটিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা শিল্পী মণ্ডল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভার পর দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্কিমের বাস্তবায়ন, সম্প্রসারণ এবং প্রচারণা কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় গান ও কনসার্ট উপভোগ করেন উপস্থিত দর্শকরা।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সর্বজনীন পেনশন মেলা, আলোচনা সভা, কর্মশালা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে ভবিষ্যৎ জীবন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান। উদ্বোধনের পর তিনি ও অন্যান্য অতিথিরা মেলায় অংশ নেওয়া ২৪টি স্টল পরিদর্শন করেন এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, পেনশন ব্যবস্থা শুধু ব্যক্তির ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তাই নিশ্চিত করে না, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সঞ্চয় বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি সর্বস্তরের মানুষকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং একটি টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সহজে পেনশন সেবা পৌঁছে দিতে সরকার প্রযুক্তিনির্ভর ও সহজলভ্য ব্যবস্থা চালু করেছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব। পেনশন স্কিম একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ও চুয়াডাঙ্গা পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার। তিনি জাতীয় পেনশন স্কিমের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ ও প্রশাসন) শেখ কামরুল হাসান, চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দীন আহমেদ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারী কমিশনার ফাহাদ চৌধুরী, জমির উদ্দিন, সাগর দে, আব্দুল্লাহ আল শামীম, জেলা মার্কেটিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা শিল্পী মণ্ডল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভার পর দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্কিমের বাস্তবায়ন, সম্প্রসারণ এবং প্রচারণা কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় গান ও কনসার্ট উপভোগ করেন উপস্থিত দর্শকরা।

আপনার মতামত লিখুন