ঢাকা    মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

৩৫৫ দিনের অপেক্ষা নয়, ১৪ দিনেই শুরু হবে নতুন ব্যবসা: বাণিজ্যমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬

৩৫৫ দিনের অপেক্ষা নয়, ১৪ দিনেই শুরু হবে নতুন ব্যবসা: বাণিজ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

নতুন ব্যবসা শুরু করতে বর্তমানে লাইসেন্স গ্রহণ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি পর্যন্ত যেখানে প্রায় ৩৫৫ দিন সময় লাগে, সেই দীর্ঘ প্রক্রিয়াকে কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, নতুন ব্যবসা চালু করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন লাইসেন্স, অনুমোদন এবং যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে আনা হবে। বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থার লাইসেন্স দ্রুততম সময়ে প্রদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ পুনরুদ্ধারে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আনতে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এ বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।

বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি তেল, সয়াবিন তেলসহ আমদানিনির্ভর গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের কৌশলগত মজুত (স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ) গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী দেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর অধিকাংশই ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতের অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় জিডিপিতে এ খাতের অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ।

তিনি জানান, আগামী বাজেটে এমএসএমই খাতের জন্য প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা সিএমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।

এর মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি স্টার্টআপ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতি (ক্রিয়েটিভ ইকোনমি) খাতের জন্য ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

কর্মশালায় ইআরএফ ও এসএমই ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


৩৫৫ দিনের অপেক্ষা নয়, ১৪ দিনেই শুরু হবে নতুন ব্যবসা: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

নতুন ব্যবসা শুরু করতে বর্তমানে লাইসেন্স গ্রহণ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি পর্যন্ত যেখানে প্রায় ৩৫৫ দিন সময় লাগে, সেই দীর্ঘ প্রক্রিয়াকে কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, নতুন ব্যবসা চালু করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন লাইসেন্স, অনুমোদন এবং যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে আনা হবে। বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থার লাইসেন্স দ্রুততম সময়ে প্রদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ পুনরুদ্ধারে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আনতে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এ বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।

বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি তেল, সয়াবিন তেলসহ আমদানিনির্ভর গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের কৌশলগত মজুত (স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ) গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী দেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর অধিকাংশই ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতের অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় জিডিপিতে এ খাতের অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ।

তিনি জানান, আগামী বাজেটে এমএসএমই খাতের জন্য প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা সিএমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।

এর মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি স্টার্টআপ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতি (ক্রিয়েটিভ ইকোনমি) খাতের জন্য ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

কর্মশালায় ইআরএফ ও এসএমই ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ